ইয়াবা ও অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে টেকনাফে সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারী

 

নিজস্ব প্রতিবেদক []
সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ পাশাপাশি ইয়াবা ও অস্ত্র চালান প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নজরদারী রেখেছে বিজিবি। মিয়ানমারে সহিংসতার ঘটনার পর থেকে বড় ধরনের ইয়াবা ও অস্ত্র কোন চালান ঢুকতে পারেনি।কিন্ত টেকনাফের অনেকেই কাছে মজুদ করা ইয়াবা সরবরাহ হচ্ছে।
এদিকে দুই সপ্তাহ ধরে মিয়ানমার চলমান পরিস্থিতির কারণে টেকনাফ সীমান্তে বাড়তি নজরদারি রেখেছেন বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে,গত মাসের চেয়ে ইয়াবা উদ্ধারের সংখ্যা হিসাব করলে বুঝা যায় কি পরিমাণ ইয়াবা আসা কমেছে।

মিয়ানমার থেকে নদী ও সাগরপথে ইয়াবার চালান ঢুকে। বর্তমানে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে মূল হোতাদের কেউ কেউ রুট পরিবর্তন করে সাগরপথ বেছে নিয়েছেন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন খাঁন জানান, তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম জানান, সীমান্তের কড়া নজরদারীর কারণে টেকনাফ সীমান্তের নাফ নদী কড়া নজরদারীর মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরো জানান, ইয়াবার প্রবেশ ঠেকাতে হলে মিয়ানমারের ভেতরে থাকা কারখানা বন্ধের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা, অভ্যন্তরীণ চাহিদা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা, ইয়াবাসেবীদের ব্যাপারে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এমন কি ইয়াবা ঠেকাতে আলাদা একটি আইন করার কথা বলেন বিজিবির এ কর্মকর্তা। বিশেষ করে ইয়াবাসহ মাদক ঠেকাতে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া প্রয়োজন।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন