ঈদ আনন্দ কেঁড়ে নিচ্ছেন ডাকাতরা…

 

indefsdfsdx

“ঈদ মানে আনন্দ” ঈদ মানে খুশি,এই ঈদ আনন্দকে পাওয়ার জন্য মানুষ নতুন নতুন জামা-কাপড়,গহনা-অলংকার সহ হরেক রকম জিনিসপত্র কিনে থাকেন। আর এই ঈদ আনন্দের জামা-কাপড়,গহনা-অলংকার গুলো সহ ঘরের সব কিছু ডাকাতি করে নিচ্ছেন ডাকাতরা। সেই সঙ্গে যারা ডাকাতি কাজে বাধা দিচ্ছেন তাদের মারধর করে এবং এলোপাথারি কুপিয়ে আহত করে যাচ্ছেন। তার মধ্যে বাদ পরছেনা কিশোর-কিশোরীসহ শিশুরা।

ঘটনাটি ঘটে চলছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলাটি আটটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আর এই গজারিয়া উপজেলার বুকচিরে চলে গেছে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক।
বর্তমান সরকার গজারিয়ায় ইপিজেড ঘোষনা করার পর থেকে এই উপজেলার প্রবাসীরা ঈদ সামনে রেখে দেশে আসায় ডাকাতদের আক্রমন বেড়ে চলছে। আর এসব দেখার যেন নেই কেউ। সেই ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন গ্রামবাসী।
আর এই ইউনিয়নের প্রায় সব গ্রামেই দৈনিক ডাকাতদের আক্রমনের সিকার হচ্ছেন অর্ধশত শিশু কিশোর সহ নারী-পুরুষ।
আর এ অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়ে কোন সুরাহা পাননি ডাকাতের আক্রমনের সিকার এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানায়, আমাদের গ্রামে প্রতি রাতেই কোননা কোন বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। আর এ অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে আমাদের কোন অভিযোগ গ্রহন করেননা থানা কর্তৃপক্ষ। আরো জানায়, এলাকায় ডাকাতরা ডাকাতি করতে আসলে সাথে সাথে এলাকাবাসী থানার মোবাইল নাম্বারে ফোন করে জানালে আসছি বলে আর ফোন রিসিপ করেননা থানা কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানান, আমরা অনেক বার থানা পুলিশ কে খবর দিয়ে এনেছি। তাদের জন্য আমরা ট্রলার নৌকা) ব্যাবস্থা করে দিয়েছি। যাতে করে বর্ষা কবলিত গ্রামগুলো পর্যবেক্ষন করতে পারে। কিন্তু পুলিশ এসে কিছুক্ষন থেকে মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে চলে যায়। বরং পুলিশ এসে এলাকাবাসীর কাছ থেকে আসা-যাওয়া খরচ নিয়ে যান।
ডাকাতদের আক্রমনের স্বিকার রাসেল আহম্মেদ জানান, ডাকাতরা দৈনিক রাতে তিন-চারটি গ্রুপে এলাকায় প্রবেশ করে। যে বাড়ীতে ডাকাতি করে সে বাড়ী লোকজনকে একেবারে নিষ্য করে দিয়ে যায়। এসময় যারা বাধা দেয় তাদের অবস্থা ভয়াবহ হয়, অবস্থান হয় হাসপাতালের বিছানা।
আরো বলেন, ডাকাতরা ঘরের দরজা-জানালা বেঙ্গে প্রবেশ করে। অনেক সময় পিস্তল দিয়ে গুলি করে আতংক সৃষ্টি করে ডাকাতি করছে।
এব্যাপারে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদাউস হোসেন ডাকাতির ঘটনাটি সত্যতা স্বিকার করে বলেন, আমি খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ যাওয়ার পর ডাকাত দলের কাউকে পাওয়া যায়নি। এঘটনার পর থেকে গ্রাম গুলোতে পুলিশ টহল ভাড়ানো হয়েছে বলে জানান।#

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন