কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের গাছ কর্তন: রাজস্ব বঞ্চিত সরকার

 

Pic-Ukhiya1
আবদুর রহিম সেলিম []

প্রশাসনের নজর না থাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে চলছে উভয় পার্শ্বের গাছ কাটার মহোৎসব। সড়কের সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখতে সরকার বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর আলোকে ১৯৮৬সালের মাঝামাঝি সময়ে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে প্রায় ৫হাজার চারা গাছ রোপন করে। এসব গাছগুলো সড়কের পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে আসলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার ফলে প্রতি বছর সরকার অন্তত অর্ধকোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত। বিদ্যুতের তার টানার অযুহাতে কর্তৃপক্ষ সড়কের বড় বড় শিশু গাছগুলোর ডাল-পালা কেটে ন্যাড়া গাছে পরিণত করেছে। সরকারের সড়ক ও জনপদ বিভাগ এসব গাছগুলো দেখ-ভাল করার দায়িত্বে থাকলেও উদাসিনতার কারনে এসব গাছগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে কতিপয় দূর্বৃত্ত। এ কাজে সড়ক ও জনপদ বিভাগের গুটি কয়েক কর্মচারী জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও সওজ বিভাগ একটু সু-দৃষ্টি ও মনোযোগ দিলে অন্তত ৫কোটি টাকার গাছ বিক্রি করে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যুতের তার নেওয়ার নামে প্রতিনিয়ত সড়কের সবুজ বেষ্টিত বড় বড় গাছগুলোর ডাল-পালা কেটে পেলায় সড়কের পার্শ্বে ন্যাড়া অবস্থায় রয়েছে। একদিকে পরিবেশ হুমকির মূখে, অন্যদিকে সরকারের লাখ লাখ টাকার রাজস্ব গাচ্ছা যাচ্ছে। এতে কারো নজর নেই। সুষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিলে প্রতি বছর সড়কে রোপনকৃত গাছের ডাল-পালাকে লাকড়ী হিসেবে বিক্রি করে কমপক্ষে ২০লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল। এছাড়াও বিএনপি জামাতের নাশকতা চালানোর সময় অন্তত ২শতাধিক গাছ কেটে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। শুধু তাই নয়, এখন সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। তাদের অব্যবস্থাপনার মাশুল দিতে গিয়ে পরিবেশ ও সরকারী রাজস্বের বারোটা বেজে যাচ্ছে। স্থানীয়রা সড়কের উভয় পার্শ্বের গাছগুলো সঠিক পরিসংখ্যান অনুপাতে কর্তন করে সরকারী কোষাগারে গাছ বিক্রিত অর্থ জমা করার দাবী জানান।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন