ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ও বর্তমানে অত্যাধুনিক বাড়ী, গাড়ি ও জায়গা জমির মালিক

 

বিশেষ প্রতিবেদক []
টেকনাফে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত র্শীষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এখন বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ইয়াবা ব্যবসা। প্রশাসনের কাছে তারা অধরা। এরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা পর্যন্ত অগ্রাহ্য করছে। ওদের খুঁটির জোর খুব শক্ত। কেন শক্ত এ প্রশ্ন এখন সচেতন এলাকাবাসীর। এসময়ের হোটেলের কর্মচারী, চাউলের দোকানের কর্মচারী ও বেকার শ্রমিকেরা এখন শতকোটি টাকার মালিক।
সরজমিন অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে অনেক তথ্য। এ রকম একটি সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া গেছে। এরা তালিকাভূক্ত এবং একাধিক ইয়াবা মামলার ইয়াবা আসামী। এ ৩ জন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এলাকায় ইয়াবার অধিপত্য বিস্তারে এখন মরিয়া হয়ে তারা ও ধরাকে শরাজ্ঞান মনে করছেন। সরকারের ইয়াবা বিরোধী কঠোর নজরদারী থাকা সত্ত্বেও ওরা এলাকায় বীরদর্পে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারে তাদের আতœীয়-স্বজন আছে বিধায় নাফ নদী দিয়ে নৌকাযোগে বস্তা বস্তা ইয়াবা ও স্বর্ণের চালান এনে ছোট হাবিবপাড়ায় মজুদ করে। পরে এসব ইয়াবা বিভিন্ন কৌশলে দেশের অভ্যন্তরে পাচার হয়ে যায়। ইয়াবা ও স্বর্ণের চালানের কালো ব্যবসা করে ওরা জিরো থেকে বর্তমানে হিরো বনে গেছেন। কোটি কোটি টাকার অত্যাধুনিক বাড়ী, গাড়ী ও বিপুল পরিমাণ জায়গা জমির মালিক বনে গেছেন। এমনকি চট্টগ্রামে বেনামে-স্বনামে ফ্লাটের মালিক বনে গেলেও তাদেরকে কেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার করছেনা এটা এখন সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের মধ্যে রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে।
শুধুমাত্র অভিযানে আটক এবং পলাতক আসামী করা হচ্ছে এবং ইয়াবা ব্যবসা ত্যাগ করে বৈধ ব্যবসায় লিপ্ত হবার পথে এরা এ সুযোগে পূঁজি করে কাজে লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর সাথে যারা তওবা করেছে এবং নিরীহ লোকজনকে আটক করা হচ্ছে। যার কারণে ওরা বরাবরই পার পেয়ে যাচ্ছে।
নাজির পাড়ার ফরিদ আহমদ একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সেও বর্তমানে অত্যধুনিক বাড়ী, গাড়ি, ও জায়গা জমির মালিক। তিনি একটি ইয়াবা সিন্ডিকেটের প্রধান । সাবরাং খুরের মুখ ও কাটাবনিয়া ঘাটে দিয়ে মাছের ট্রলার যোগে বস্তা বস্তা ইয়াবা এনে অর্থের মালিক বনে যায়। এলাকায় ওদের অপকর্মের কারণে নিরীহ লোকদের এর খেসারত দিতে হচ্ছে। ওদের কারণে এলাকার যুবসমাজ বিপদগামী হচ্ছে। অভিভাবক মহল এনিয়ে রীতিমতো ইয়াবার ছোবল থেকে বাঁচতে সচেতন এলাকাবাসী ওদেরকে অতিসত্তর আইনের আওতায় আনার প্রয়োজন বলে মনে করেন। নচেৎ গোটা এলাকায় ইয়াবার সয়লাব হয়ে যাবে এমন আশংকা করেছেন।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন