ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিন, সংঘর্ষ

 

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির পর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিন। গতকাল শুক্রবার ‘ক্রোধের দিবস’ পালন করেছে ফিলিস্তিনিরা। জুমার নামাজের পর ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে তারা। এ সময় ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কয়েক জায়গায় সংঘর্ষ হয়েছে। আটক করা হয়েছে অনেককে। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানিয়ে গতকাল মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শহরে শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গাজায় সংঘর্ষে এক িফলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

বুধবার জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন সমর্থন ঘোষণা করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এ পদক্ষেপের নিন্দা জানায় ফিলিস্তিন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিকাংশ দেশ, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল জরুরি বৈঠকে বসার কথা ছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের।

ট্রাম্পের ঘোষণার পরদিন বৃহস্পতিবার নতুন করে ইন্তিফাদারের (গণ-অভ্যুত্থান) ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।

গতকাল জুমার নামাজের জন্য জেরুজালেমে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দেয়নি ইসরায়েলি সেনারা। নামাজের পর মুসল্লিরা বিক্ষোভ করার চেষ্টা করলে বাধা দেয় সেনারা।

পশ্চিম তীরের নাবলুস, হেবরন ও বেথলেহেম এবং গাজায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।

গতকাল বিক্ষোভ হয়েছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, পাকিস্তানের লাহোর, লেবাননের বৈরুত, ভারতের কাশ্মীরসহ মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ বিভিন্ন দেশের শহরে শহরে। পোড়ানো হয় ট্রাম্পের কুশপুতুল।

এই মাসের শেষের দিকে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের। সেখানে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে। কিন্তু সেই সফরে পেন্সকে স্বাগত জানানো হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স িটলারসন বলেছেন, তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সম্ভবত আগামী দুই বছরের মধ্যে স্থানান্তর করা হবে না। প্যারিসে গতকাল ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ–ইভ লুদরিয়ঁর সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ কথা বলেন।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন