টেকনাফের মো. ইসমাঈল ইউই আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি নির্বাচিত

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নিবেদিত প্রাণ আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান পর পর তিনবার দেশসেরা রেমিটেন্স প্রেরণকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ইউই আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিল্পপতি মোহাম্মদ ইসমাঈল সংযুক্ত আরব আমিরাত আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাত আওয়ামীলীগ পরিবারের সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মোর্শেদ হোছাইন তানিম। এ ছাত্রনেতা মনে করেন, মোহাম্মদ ইসমাঈলের মত দক্ষ নেতৃত্ব প্রবাসে আওয়ামীলীগের রাজনীতির প্রসার ঘটাতে সক্ষম হবেন। পাশাপাশি এ তরুন আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ ইসমাঈলের দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ১৯৭১সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের হাজী উলা মিয়ার পরিবারকে আওয়ামী পরিবার বলে জানত মানুষরা। তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে সেই থেকে আওয়ামীলীগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেই থেকে এই পরিবারের বড় ছেলে আলহাজ্ব সোনা আলী আশির দশকের শুরুতে সৌদি আরবে বঙ্গবন্ধুর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন জেদ্দা বঙ্গবন্ধু পরিষদ। দীর্ঘ দুই যুগ তিনি জেদ্দা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামীলীগের দুরদিনে তিনি বিভিন্ন সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে অনেক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। বর্তমানে সেই পরিবারের জ্যেষ্ঠ সন্তান আলহাজ্ব সোনা আলী কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা শিল্পপতি মোহাম্মদ ইসমাইল, আওয়ামীলীগ রাজনিতি শুরু করেন মরুর দেশ দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত ইউ,ই) তে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউই) আওয়ামীলীগের ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রধাণ উপদেষ্ঠা এবং একজন সফল ও সৎ ব্যবসায়ী। তিনি এই যুগের শ্রেষ্ঠ একজন দেশপ্রেমিকও বটে। তা না হলে বিদেশ থেকে অর্জিত টাকা সরকারকে রেমিট্যান্স দিয়ে কক্সবাজার জেলার তিন তিন বার শ্রেষ্ঠ রেমিট্যান্স দাতা হতেন না। দেশের প্রতি তার ভালবাসা আছে বলেই বিদেশে স্থায়ী কিছু না করে নিজের দেশে সে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। দেশে ও দেশের বাইরে দলীয় লোকদের জন্য অনেক বেশি কাজে এসেছেন এই ইসমাইল। একজন ত্যাগী দলীয় কর্মীকে নিজের পরিবারের সদস্য মনে করেন তিনি। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউই) তে কোন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বা মন্ত্রী এমপি সফর করলে তাদেরকে ইসলাইল সমাদর করেন।

অপরদিকে, সারাদেশে আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারীরা যেভাবে দলে ডুকে দলের বদনাম হয় এমন কর্মকান্ড করে যাচ্ছে, সেখানে ত্যাগী এই পরিবার শুধু দলের সুনাম বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে এই পরিবারের সকল সদস্যকে সাধারণ মানুষ গ্রহন করেছেন মনে প্রানে।
এই পরিবারের সদস্য মোহাম্মদ ঈসমাইল মনে করেন, আমরা কিছু পাওয়ার আশায় আওয়ামীলীগ করি না। কারণ আমার পিতা বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতেন। আমাদের বড় ভাই সোনা আলী সহ পরিবারের সকল সদস্য আওয়ামীলীগ তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মনে প্রানে ভালবাসেন তাই দলের জন্য নিবেদিত হয়ে দেশে বিদেশে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই জননেত্রী শেখ হাসিনা সুস্থ থাকুক এবং বাংলার মেহনতি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাবে। আমরা তার সারথী হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে দেশে বিদেশে কাজ করে যাব। ইনসা আল্লাহ।
সফল ব্যবসায়ী ও শিল্পদ্যোগক্তা মোহাম্মদ ইসমাঈলের সাথে আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় ও জেলা এবং যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ

আওয়ামীলীগের বিভিন্ন প্রোগামে বক্ত্যরত সফল ব্যবসায়ী ও শিল্পদ্যোগক্তা মোহাম্মদ ইসমাঈল

গরীব দু:খী মানুষের পাশে দাঁড়ালেন এই পরিবারের সন্তান মোহাম্মদ ইসমাঈল, সাথে ছিলেন এমপি কমল

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন