টেকনাফে তালিকা ভূক্ত ইয়াবা ডনরা অধরা

 


বিশেষ প্রতিবেদক::
টেকনাফের সাবরাং সীমান্ত জনপদ ইয়াবার পাচার ও ব্যবসায় একটি শীর্ষ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে খ্যাত। যেহেতু এ ইউনিয়নটি ভৌগলিকভাবে উত্তরে সমতল, পূর্বে নাফনদী এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে সাগর। সেহেতু সময়ে অসময়ে নৌ-রুট পরিবর্তন করে বড় বড় ইয়াবার চালান ঢুকে। টেকনাফ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর, পৌরসভাসহ ৫ ইউনিয়নের মধ্যে সাবরাং ইউনিয়ন ইয়াবা ব্যবসা ও পাচারে সবার শীর্ষে থাকলেও তেমন দৃশ্যমান আইন শৃংখলা বাহিনীর অভিযান দেখা যাচ্ছেনা। শুধুমাত্র চুনোপুতুড়ী ইয়াবা ব্যবসায়ী ও পাচারকারী ধরা পড়লেও রাঘব বোয়ালেরা ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখা ৬ এর ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর এক স্মারকপত্রের সূত্রে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও গোয়েন্দা) প্রণব কুমার নিয়োগীর স্বাক্ষরিত জানুয়ারী ১৩ বিশেষ একটি প্রতিবেদনে স্থান পাওয়া ৭৬৪ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী তালিকার মধ্যে সাবরাং ইউনিয়নের ২৯টি পাড়ায় ১৭২জন ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে। এর মধ্যে পানছড়িপাড়া, মন্ডল পাড়া, নয়াপাড়া ও মুন্ডার ডেইল ইয়াবা তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে। সম্প্রতি ইয়াবা ব্যবসা ও পাচার সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য অনুসন্ধান করে জানা যায়, সাবরাং ইউনিয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকা অনুযায়ী যক’জন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে, একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার এলাকায় ব্যাপক জনশ্রুত থাকলেও কেন? যেন ওরা ধরাছোয়ার বাইরে, তাহা নিয়ে এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ। অতীতে সে ক্ষুদে ব্যবসায়ী থেকে বর্তমানে অডেল অর্থ ও সম্পদের মালিক বনে গেছেন। দৃশ্যমান কোন ধরনের আয়ের উৎস নেই এবং কিভাবে সে এতো টাকা ও সম্পদের মালিক বনে গেলেন, তা নিয়ে সবাইকে সে ভাবিয়ে তুলেছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে এবং এটিকে সে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে এবং ইয়াবা ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স এবং দালাল হিসাবে কাজ করছে বলে এলাকায় ব্যাপক জনশ্রুত রয়েছে। অতি সম্প্রতি তার ভূল ইনফারমেশনের কারণে একটি সংস্থাকে, স্থানীয় জনরোশের কবলে পড়ে। এতে কয়েকজন ডিবি পুলিশ আক্রান্ত হয়।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন