টেকনাফে লবণ উৎপাদনের শুরুতেই ধাক্কা

 

কাল সারা দিন কক্সবাজারের টেকনাফে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মাঠে থাকা প্রায় সাড়ে আটশো মণ লবণ গলে গেছে।

আবহাওয়া অফিস বলেছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে¤পরিণত হয়েছে।
জানতে চাইলে কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন ও বিসিক কার্যালয়ের টেকনাফে পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার সাবরাং, বাহারছড়া, টেকনাফ সদর, পৌরসভা, হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৮৫০ একর জমিতে ৭৪ হাজার মেট্রিকটন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে চাষিরা চাষাবাদ কাজ শুরু করে। গত তিন দিনে প্রায় ২৫০ মেট্রিকটন লবণ উৎপাদন করা হয়। মাঠে শনিবার ওঠানোর জন্য আরও প্রায় সাড়ে আটশো মণ লবণ গলে গেছে।
টেকনাফের সাবরাং আছারবনিয়ার লবণচাষি আজিজুল হক ও ঝিনাপাড়ার হাফেজ উল্লাহ বলেন, এবারের মৌসুমে শুরুতে বৃষ্টি লবণ উৎপাদন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বৃষ্টির কারণে মাঠ পর্যায়ে লবণ উৎপাদন অন্তত ১৫দিনের মতো পিছিয়ে পড়বে। নতুন করে উৎপাদিত লবণ বেচা-কেনা না হওয়াই উৎপাদিত লবণ মাঠে খোলা অবস্থায় মজুত রাখা হয়েছিল। কিন্তু গতকাল শুক্রবার বিকেলে বৃষ্টিতে ওই এলাকার চাষিদের প্রায় চার শ মণ লবণ মাঠে গলে গেছে।
উপজেলা লবণচাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য মো. শফিক মিয়া জানান, মৌসুমে শুরুতে চাষিরা ধাক্কা খেল।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত নিম্নচাপটি আরও উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দর সমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। আগামীকালও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন