টেকনাফে সন্ত্রাসী হামলায় আবদুল হামিদ মেম্বার গুরুতর আহত : আশংকাজনক অবস্থায় চমেকে প্রেরন

 

নুরুল হোসাইন[]
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের আবদুল হামিদ মেম্বার সন্ত্রাসী হামলা গুরুতর আহত হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

২৫ আগষ্ট শুক্রবার রাত ১০টার দিকে টেকনাফ পানবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দুবৃত্তরা ইউপি মেম্বারের দুই পা ও হাতে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

হামলার পর আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেকে প্রেরণ করেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোঃ মইন উদ্দিন খান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালে আহত ইউপি মেম্বার হামিদ জানান, গোদারবিল এলাকার দিল মোহাম্মদ দিলুর নেতৃত্বে তার উপর হামলা চালানো হয়।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে এলাকায় একট ছাগল চুরির শালিশ করতে গিয়ে চুরিতে অভিযুক্ত পক্ষের রোষানলে পড়েন আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় বুধবার আব্দুল হামিদের উপর গুলিবর্ষন ও মহেষখালীয়া পাড়া এলাকায় হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলায় উভয় পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে মহেষখালীয়া পাড়া এলাকায় আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ করে এলাকাবাসী। এতে বর্তমান ও সাবেক মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী একাত্মতা ঘোষনা করে।

উল্লেখ্য ২৩ আগষ্ট ছাগল চুরির সালিশকে কেন্দ্র করে ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবদুল হামিদে ওপর গুলিবর্ষণ ও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় মহিলাসহ ৮ গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহেশখালীয়া পাড়ার মোজাহের আলমের ছেলে শামসুল আলমের একটি ছাগল চুরির ঘটনায় আব্দুল হামিদ মেম্বার ২২ আগষ্ট মঙ্গলবার রাতে বৈঠক বসে। এতে রফিক ও আবুল বশরের ছেলে মিজান, তার সহযোগি জসিম, সাইফুলকে ছাগল চুরিতে অভিযুক্ত করা হয়।

পরের দিন ২৩ আগষ্ট বুধবার সকালে আবুল বশরের লোকজন এলোপাতারীভাবে গুলি করে এবং আব্দুল হামিদ মেম্বারের কাজের ছেলে আবদুস সালামকে মারধর করে। এক পযার্য়ে মহেশখালিয়া পাড়া গ্রামে ডুকে গুলি বর্ষণ করতে করতে হামিদ মেম্বারের এলাকায় গিয়ে লোকজনকে প্রকাশ্ব্য ধাওয়া করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় নুর হোসেন ও তার পিতা দলিল আহমদ। পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ হাসপাতালে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে আহতের ভাই নবী হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় দিল মোহাম্মদ দিলুকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত ৪/৫ জন সহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগে আব্দুল হামিদ মেম্বার জানান শত শত লোকের সামনে দিনের বেলায় ৮ থেকে ১০ রাউন্ড অবৈধ পিস্তলের গুলি ছোঁড়া হয়েছে বলেও দাবী করেন তিনি।
এ ঘটনায় উত্তেজনার এক পর্যায়ে শুক্রবার রাতে সন্ত্রাসীরা দ্বিতীয় দফা অাব্দুল হামিদের উপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুত্বর জখম করে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন