টেকনাফ-কক্সবাজার সড়ক অবৈধ দখলে, বাড়ছে দুর্ঘটনা

 

সীমান্ত পর্যটন শহর টেকনাফ-কক্সবাজার প্রধান সড়কগুলো এখন অবৈধ দখলে চলে যাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। এই সড়কটি টেকনাফ, উখিয়া উপজেলার জনগণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এই সড়ক দিয়ে জেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। তবে আর একটি বিকল্প হিসেবে নবনির্মিত মেরিন ড্রাইভ সড়ক রয়েছে। তবে এই সড়ক দিয়ে কোন পণ্য পরিবহন করা যায়না।
সুত্রে জানা যায়, টেকনাফ-কক্সবাজার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে। আবার মৌসুম ভেদে এ সড়কে গাড়ির সংখ্যা উঠা-নামা করে। বর্ষায় গাড়ির সংখ্যা কম হলেও শীত মৌসুমে এর সংখ্যা ২/৩ গুণ বেড়ে যায়।
এর বিশেষ কারণ হচ্ছে পর্যটকবাহী গাড়ি। শীতের আগমনের সাথে সাথে অর্থাৎ ডিসেম্বর হতে এপ্রিল পর্যন্ত ৭ থেকে ৮টি বড় বড় জাহাজের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন দ্বীপে দেশি-বিদেশি পর্যটক যাতায়াত করে থাকে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় থেকে নামী-দামী শত শত পর্যটকবাহী গাড়ী সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। এটি এমনিতে সরু সড়ক, পাশাপাশি সড়কের উভয় পাশে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় ঝুঁকি নিয়ে একটি গাড়ি অন্য গাড়িকে জায়গা দিতে হয়।এর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।এছাড়া সড়কের দুপাশে গড়ে উঠেছে দোকানপাট, রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ও ক্লাবের অফিস।
তাছাড়া বিভিন্ন তরিতরকারি ও মাছের দোকান এবং বাস কাউন্টারও রয়েছে। এ সব কারণে সড়কটির পূর্বের প্রশস্ততা হারিয়ে দিন দিন সরু হয়ে উঠছে। এর ফলে বেড়ে যাচ্ছে যানজট। এছাড়া মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক পালিয়ে এসে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। এদের জন্য প্রতিদিন খাদ্য, বস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে বিভিন্ন গাড়ি যাতায়ত করছে। সব মিলিয়ে সড়কটিতে গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।একদিকে গাড়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আর অন্যদিকে সংকীর্ণ সড়ক -দুই মিলে ঝুঁকি বাড়ছে দুর্ঘটনার।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদ সিদ্দিকী জানান, এই সড়কগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ সেন্টমাটিন দ্বীপে আসে, তাই যানজট বেড়ে গেছে। এই সড়কে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষকে অনেকবার অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন