টেকনাফ ছাগল চুরির সালিশ নিয়ে হামিদ মেম্বারের সমর্থকদের উপর হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত-৮

 

নিজস্ব প্রতিবেদক []
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেষখালীয়াপাড়ায় ছাগল চুরির সালিশকে কেন্দ্র করে ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবদুল হামিদের সমর্থকদের ওপর গুলিবর্ষণ ও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় মহিলাসহ ৮ গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়েছে। তবে গুলিবিদ্ধ দলিল আহমদের ছেলে নুর হোসেন (২২) কে গুরুতর আহত হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
অন্যন্য আহতরা হলেন, আবদুস সালাম, নবী হোসাইন, আব্দু শুক্কুর, আবদুস সালাম, শমসু, রাবেয়া বেগম, দলিল আহমদ । এ ঘটনায় আহতের ভাই নবী হোসেন বাদী হয়ে গোদারবিল এলাকার মৃত পুতু মিয়ার ছেলে দিল মোহাম্মদ দিলু (৩২), ছেবর মিয়া(৩০), অলি আহমদের ছেলে আবদুল আমিন(৩৪), মো : আয়ুবের ছেলে ছৈয়দ হোসেন (৩৫),পুতু মিয়ার ছেলে রশিদ আহমদ(৩৪), মহেশখালীয়াপাড়ার মৃত ফয়েজুর রহমানের আবুল বশর (৪৫) ও তার ছেলে মিজানুর রহমান (২২), সাইফুল ইসলাম (২০), মো : ইব্রাহীম(২৫), মৃত আবদুস সালামের ছেলে রশিদ আহমদ (২০), নুর মোহাম্মদের ছেলে পুতিয়া (৩৪), নুর মোহাম্মদের ছেলে জসিম উদ্দিন (২০), কালা মিয়ার ছেলে কেফায়েত উল্লাহ (১৯), দেলোয়ার হোসেন (২৮),সাবরাং বাহারছড়ার আবদুর রশিদের ছেলে জাফর আহমদ(৩০), হাজম পাড়ার জসিম (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহেশখালীয়া পাড়ার মোজাহের আলমের ছেলে শামসুল আলমের একটি ছাগল চুরির ঘটনায় আব্দুল হামিদ মেম্বার মঙ্গলবার রাতে বৈঠক বসে । এতে ছাগল চুরির বিষয়ে রফিক ও মোহাম্মদের ছেলে এবং আবুল বশরের ছেলে মিজান, তার সহযোগি জসিম, সাইফুলকে দোষারোপ করা হয়। পরবর্তীতে এর বিচার বসবে এমন সিদ্ধান্ত হয়। এ বিচার নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই সময়ে আবুল বশরের লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনের উপর চড়াও হয়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার এসআই মনজুর আলমসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। কিন্তু পরের দিন বুধবার সকালে আবুল বশরের লোকজন আব্দুল হামিদ মেম্বারের কাজের ছেলে আবদুস সালামকে মারধর করে। এক পযার্য়ে আব্দুল হামিদ মেম্বারের বাড়ীর দিকে এগিয়ে গেলে মেম্বারের বেশ কয়েকজন সমর্থক এগিয়ে আসে। এ ছাড়া আবুল বশরের নিকট আত্বীয় পাশ্ববর্তী গোদার বিল গ্রামের পুতু মিয়া ছেলে দিল মোহাম¥দ দিলুর নেতৃত্বে ২০/৩০ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী স্বশস্ত্র অবস্থায় গুলি বর্ষণ করতে করতে হামিদ মেম্বারের সমর্থকদের ধাওয়া করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় নুর হোসেন ও তার পিতা দলিল আহমদ। পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ হাসপাতালে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে আহতের ভাই নবী হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় দিল মোহাম্মদ দিলুকে প্রধান আসামী করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল হামিদ বলেন, দিলুর নেতৃত্বে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ করা হয়েছে । শত শত লোকের সামনে দিনের বেলায় ৮ থেকে ১০ রাউন্ড অবৈধ পিস্তলের গুলি ছোঁড়া হয়েছে বলেও দাবী করেন তিনি।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোঃ মাইন উদ্দিন খান সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন