টেকনাফ রোহিঙ্গা বস্তিতে যুবকের রহস্যে ঘেরা ঝুলন্ত লাশ!

 

খাঁন মাহমুদ আইউব[]
কক্সবাজার’র টেকনাফ হ্লেদা রোহিঙ্গা (টাল) রোহিঙ্গা বস্তিতে যুবকের গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেছে।আত্বহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড সেই ব্যাপারে পুলিশ কিছু জানাতে না পারলেও বস্তি বাসিন্দাদের ভিন্নমত রয়েছে এই হত্যাকান্ড নিয়ে।
১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের হ্লেদা রোহিঙ্গা (টাল) বস্তির ব্লক-এ/২১৩ নং কক্ষের বাসিন্দা ছৈয়দুল আমিন’র ছেলে আব্দুস শুকুর (২৮) কে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়া হয়।
রাত ৮ টা নাগাদ টেকনাফ মডেল থানার এস,আই বোরহান উদ্দীন ঘটনা স্থলে পৌছে।পরে স্থানীয়দের সাহায্যে পুলিশ ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেছে বলে পুলিশ সুত্র নিশ্চিত করেছে।বিষয়টি উক্ত বস্তির (মাঝি) নেতা দুদু মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,মৃত যুবক গত ২/৩ বছর আগে মিয়ানমার থেকে এক নারী সহ অনুপ্রবেশ করে।পরে উক্ত নারীকে বিয়ে করে বস্তিতে বসতি করে।সুত্র জানায়,স্বামী-স্ত্রী কলহের জের ধরে স্ত্রী পালিয়ে গেছে।এদিকে ঘটনার ক’দিন আগে থেকে তার বাবা মা বাসায় নেই।ঘটনার আগের দিন সে বাড়িতে ঢুকে ১৩ই জুলাই সন্ধ্যা পর্যন্ত সাড়া শব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হয়।পরে কক্ষের অভ্যান্তরে যুবকের ঝুলন্ত লাশ দেখে চারদিকে সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে।এদিকে কিছু মাধ্যম নিহত যুবক মাদকাসক্ত বলে দাবী করলেও বাস্তবে মাঝে মধ্যে মদ সেবন করতো বলে বস্তির কয়েকটি নির্ভর যোগ্য সুত্র নিশ্চিত করেছে।অপর দিকে বস্তির বাসা গুলোতে এক বাসা থেকে তার পাশের বাসায় কি হচ্ছে তা সহজে অনুমান করা যায়।কিন্তু প্রায় একদিন সময় নিস্তব্দতা পাশের বাসার কেউ আছ করতে পারেনি!প্রথম কে উক্ত বাসা উকি দিয়ে দেখেছেন!সেই ব্যাপারে কিছুই জানাতে পারে নাই মাঝি দুদু মিয়া।এদিকে বিষয়টি কেমন জানি একটি গোলক ধাঁধাঁর মতো বলে মন্তব্য করে অনেকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে দাবী করেন (টাল) বস্তির বাসিন্দারা।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন