থাইল্যান্ডে আটক ২১৪’র মধ্যে ৬৭ জনের ‘নাগরিকত্ব’ নিশ্চিত, ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ

 

 

জীবিকার সন্ধানে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে থাইল্যান্ডে আটক বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ব্যাংকক দূতাবাসের পাঠানো তালিকা ধরে আটককৃতদের ‘নাগরিকত্ব’ নিশ্চিত হতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কাজ করছে। থাই সরকারের ডিটেনশন সেন্টারে থাকা ২১৪ জনের মধ্যে ৬৮ জনের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে একজন ছাড়া বাকি ৬৭ জনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক এই মর্মে রিপোর্টও জমা হয়েছে। প্রদত্ত ঠিকানামতে একজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। গতকাল বিকালে পররাষ্ট্র দপ্তরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জমা হওয়া রিপোর্ট পর্যালোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, কনস্যুলার ও কল্যাণ) মুস্তাফা কামালের সভাপতিত্বে সভায় স্বরাষ্ট্র প্রবাসী কল্যাণ, পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সূত্র মতে, যাদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে তাদের দ্রুত দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকিদের বিষয়ে চলমান অনুসন্ধান কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আটক বাংলাদেশীদের মধ্যে সচ্ছল পরিবারের ৭-৮ জন নিজ খরচে এরই মধ্যে দেশে ফিরেছেন মর্মে জানিয়ে সভায় অংশ নেয়া এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আটক বাংলাদেশীদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আইওএম-এর সহায়তার প্রস্তাব করেছিল থাইল্যান্ডস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। কিন্তু বাজেট না থাকায় সে সহায়তা মিলেনি। যারা নিজ খরচে ফিরতে পারবে না সরকারি খরচে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য নীতিনির্ধারক মহলে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়া হবে বলে জানান এক কর্মকর্তা। পররাষ্ট্র দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, আটককৃতরা ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে থাইল্যান্ডে ঢুকেছেন। তাদের নৌকা, ট্রলার ও সবশেষে বড় জাহাজ করে সেখানে পাঠানো হয়েছে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন