দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ

 


জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকা ও অনলাইনে ১৮ জুলাই (টেকনাফ কক্সবাজার প্রতিনিধির) বরাত দিয়ে পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত “মহিলা লীগ, ইয়াবা ফ্রেন্ডলি কমিটি” সংবাদের একাংশ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের একাংশে আমাকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।উক্ত সংবাদের কোন ভিত্তি নেই, যা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক।আমি বর্তমানে ১৬০০ বেশী ভোটে নির্বাচিত হয়ে টেকনাফ পৌরসভার একজন সফল প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।আমার সফলতার মেয়াদ এক বছর পার হলেও কারও কোন নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।তাছাড়া টেকনাফে নারী নের্তৃত্বের জন্য এক উজ্জল দৃস্টান্ত আমি।প্রধানমন্ত্রীর নের্তৃত্বে সারা বিশ্বের উন্নয়নের রুল মডেল হিসেবে যখন বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তারই সুবাদে অন্যান্য জায়গার ন্যায় সীমান্তের শহর টেকনাফ উপজেলা মহিলালীগের কোন অস্তিত্ব না থাকায় ও বিভিন্ন দিবসেও এই লীগের কাউকে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করার কোন দৃশ্য চোখে না পড়ায় সচেতন মহলের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন জাগে। ঠিক তখনি আপামর জনসাধারণের অনুরুধে ঘুমিয়ে পড়া এ লীগকে জাগিয়ে তুলার জন্য জেলা সভাপতি কানিজ ফাতেমা ও সম্পাদক হামিদা তাহের আমাকে তদন্তপূর্বক সৎ যোগ্য ও নিরপেক্ষ মনে করে নিজে নিজেই মহান দায়িত্ব অর্পিত করে। উক্ত দায়িত্বের চিত্র অনেকের সহ্য না হওয়ায় চক্রান্তের কারণে নিউজ আসায় টেকনাফ প্রতিনিধির কাছে জানতে চাইলে ফোনে বলেন,এ নিউজ ও কমিটি নিয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই। তাছাড়া এ নিউজের অভিযোগকারী হল কমিটির সাবেক সভাপতি নাজমা আলম। যা আমার কাছে রেকর্ড রয়েছে। সচেতনমহলের কাছে আমার অনুরুধ আমার চেয়ে যোগ্য প্রার্থী আপনারা খুজে পেলে দয়া করে আমাকে জানাবেন। তাছাড়া জেলা মহিলালীগের সেক্রেটারি ও আমার যে বক্তব্য পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে তা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা। তাতে উল্টো মাননীয় সাংসদ আব্দুর রাহমান বদি সিআইপিসহ আমাদের মানহানি করা হয়েছে। আর এ ক্ষমতা আমার জন্য বড় কিছু নয়।তবে পদের চেয়ে সুবিধাবঞিত নারীদের পার্শ্বে থেকে তাদের সেবা করাটাই আমার কাছে বড় ও আমার মূল দায়িত্ব।এ মহিলালীগকে কয়েকদিনের মধ্যে টেকনাফ তথা সারাদেশে পরিচিতির জন্য কমপক্ষে ৫ হাজার নারীর অংশগ্রহণে প্রস্তুতি সভা করার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।তাই দুস্কৃতিকারীরা যদি এ সফল নের্তৃত্ব দানকারীদের পিছনে লেগে থাকেন তাহলে তরুণ নের্তৃত্ব তথা মহিলালীগ আগের মতই ঘুমিয়ে পড়বে। পাশাপাশি কোন সৎ নের্তৃত্ব দানকারীকে আগামীতে খুজে পাওয়া যাবেনা। অবশেষে দলীয় নেতাকর্মী,প্রশাসন,মিডিয়া কর্মীসহ সবার কাছে অনুরুধ ঘুমিয়ে পড়া এ মহিলালীগকে জাগানোর জন্য আপনারাও আমার সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। পাশাপাশি উক্ত সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হতে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

প্রতিবাদকারী
কোহিনূর আক্তার,
প্রধান সম্পাদক, টেকনাফ নিউজ ৭১ ডটকম।
প্যানেল মেয়র, টেকনাফ পৌরসভা।
সভাপতি, টেকনাফ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ,টেকনাফ।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন