ধারাবাহিক প্রতিবেদন -১:শিক্ষা গ্রহণে টেকনাফে এক কিশোরীর বিরল সংগ্রাম

 

Sallah Uddin Symbolic Pic 07-03-2015
মুহাম্মদ ছলাহ্্ উদ্দিন, টেকনাফ ॥

রেশমাকে (ছদ্মনাম) ‘অনিন্দ্য সুন্দরী’ বললে অত্যুক্তি তো হবেই না বরং ‘দুধে-আলতা মেশানো রূপের অপরূপ রূপবতী’ বলাটাই বোধ হয় যুক্তিযুক্ত। এতে তার রূপের খানিকটা উপমা দেয়া দেয়া যায়। এমন বাহারী রূপের অধিকারীনি রেশমার উপরটা যেমনি সুন্দর; খোদাতা’লা ভিতরটাও তেমনি স্বযতেœ সুন্দর করে রেখেছেন। রেশমা টেকনাফ উপজেলারই এক মাদ্রাসা ছাত্রী। এবারের চলমান দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মাদ্রাসার রেকর্ড-পত্র, জেডিসি’র সনদ, দাখিল পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও ইউপি’র জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স এখন চৌদ্দ বছরে পা দিয়ে সবেমাত্র সপ্তম মাস ছুঁই ছুঁই করছে। অর্থাৎ, সে ‘টীন-এজার’। এ বয়সে ‘প্রেম প্রেম’ খেলাটাই আজকের ডিজিটাল যুগের কিশোর-কিশোরীদের স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু রেশমা এক্ষেত্রে একটুখানিক তো নয়-ই, অনেকখানিও নয়; সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। রেশমার সাথে কোন ‘বেগানা’ ছেলের সম্পর্ক আছে- এমন অপবাদ কোন পেশাদার নিন্দুকেরাও দিতে লজ্জায় মুখ ঢাকাবে। এছাড়া তার স্বভাবও অন্য সবার চেয়ে আলাদা। ভদ্র-ন¤্র-শান্ত-বিনয়ী-লজ্জাবতী অর্থাৎ শিষ্টাচারের সবটুকুন গুণই তার মাঝে বর্তমান। অন্যদিকে দাখিল ষষ্ঠ শ্রেণী থেকেই সে শুধু মাদ্রাসায় নয়; প্রয়োজনের তাগিদে ঘরের বাইরে কিংবা যখনই যেখানে যেতে হয়েছে- নিজের সৌন্দর্য্যটুকুন পবিত্রতম উপায়ে ঢেকে রেখে চলাফেলা করে এসেছে। সোজা কথায় বলতে গেলে সে পুতপবিত্র-সচ্চরিত্রবান। একজন ঈমানদার বিধুষী মহিলা হিসেবে গড়ে উঠতে কিশোরী বয়স থেকে তার এ প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। রেশমার এহেন পবিত্রতার পিছনে মাদ্রাসা শিক্ষার আদর্শ যতই না কাজ করেছে; তার চেয়ে ঢের বেশী কাজ করেছে- দাখিল অষ্টম শ্রেণী থেকে এ পর্যন্ত এক লম্পটের সাথে ‘বিবাহ বন্ধনে’ আবদ্ধ হয়ে সংসার ধর্ম পালন না করায় অভিভাবকদের শারিরীক-মানসিক সেই এক বিভীষিকাময় দুর্বিষহ নির্যাতন উপক্ষো করে শিক্ষা গ্রহণের অবিরত দুর্নিবার সংগ্রাম। বিষয়টা খোলাসা করে বলা যাক।

রেশমা যখন ইবতেদায়ী পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী- একদিন মাদ্রাসা থেকে বাড়ী ফেরার পথে তাকে দেখে ফেলে দীর্ঘ বছর পর মাত্র মাসখানেকের ছুটির অবসরে দেশে ফেরা দুবাই প্রবাসী যুবক জামসেদ (ছদ্মনাম)। জামসেদ তাদের বাড়ীর পার্শ্ববর্তী এক সৌদি প্রবাসী ‘বড়লোকের’ প্রথম সন্তান। জামসেদের এই ‘দেখে ফেলা’ পরে ‘কন্টকাকীর্ণময় এক দুর্বিষহ অধ্যায়’ হয়ে দাঁড়ায় রেশমার ক্ষুদ্র এ জীবনে।

রেশমারা যখন ‘খুকী’ ধরণের ছোট; তখন জামসেদ ছিল এলাকার ‘টিটিসিএম’ ধরণের তরুণ। ‘বড়লোক’ বাবার আদুরে দুলাল হওয়ায় সে অনিবার্যভাবে টাউট আর লম্পট স্বভাবের ছিল। ফি বছর ফেলটু মেরে মেরে প্রাইমারী ‘পাশ’ দিয়ে হাই স্কুলে উঠে প্রতিদিন ক্লাসে পড়া না পারার অপরাধে কানধরে উঠবস আর মাষ্টার মশায়দের তিরস্কারে তিষ্টাতে না পেরে কোনরকম সপ্তম শ্রেণী পার হয়েই লেখাপাড়ার ইতিটানে। এরপর তার প্রত্যাহিক কাজ ছিল হরেক রকমের পারফিউম মেশানো বাহারী প্যান্ট-শার্ট পরে পকেটে তৎকালীন অসম্ভব ‘প্রেজটিজের’ বস্তু মোবাইল ফোন পকেটে নিয়ে গ্রামে কোন ঘরে সুন্দরী মেয়ে আছে তা খুঁজে বেড়ানো এবং ‘ঠিক সময়ে’ রাস্তায় দাঁড়িয়ে স্কুল-মাদ্রাসাগামী ছাত্রীদের দিকে ‘হা করে’ তাকিয়ে থাকা আর মাঝে মধ্যে তাদের উদ্দেশ্যে ‘টিজ’ মারা। বাকী সময় সে রেশমাদের দাদা-দাদী, হাফ-ডজন চাচা-চাচী ও তাঁদের বিশাল অংকের ছেলে-মেয়েসমেত এজমালী বাড়ীর আশপাশ চক্কর দিয়ে সময় পার করত। তার বড় ইচ্ছা রেশমাদের বাড়ীতে প্রবেশের। তা অবশ্য রেশমার জন্য নয়। রেশমা তো তখন একেবারেই ছোট। তার টার্গেট ছিল রেশমার বড় আপু মোমেনা (ছদ্মনাম)। মোমেনা তখন দাখিল নবম শ্রেণীতে পড়তো। মোমেনাও রেশমার মত ‘অপরূপ রূপবতী’ ছিল। জামসেদের সারাক্ষণ স্বপ্ন ছিল যে কোন একদিন সে রেশমাদের বাড়ীতে প্রবেশ করে তার চাকচিক্যময় পোষাক আর ‘প্রেজটিজের’ বস্তু দেখিয়ে মোমেনাকে ‘থ’ মেরে দিয়ে তার সাথে একদন্ড কথা বলা। কিন্তু তার স্বপ্ন মনে মনে গুমরে মরতো। কারণ, রেশমাদের বাড়ী প্রবেশ ‘দুর্গম গিরি কান্তর মরু দুস্তর পারাবার’র মত এতটা দূর্লংঘনীয় না হলেও জামশেদ আক্ষরিক অর্থে রেশমাদের একপাল চাচাত ভাইদের যমের মত ভয় করতো।

ভাগ্যগুণে জামসেদ একদিন সুযোগ পায় সেই বাড়ী প্রবেশের। রেশমার মরহুম বাবা তখন সৌদি প্রবাসে ছিলেন। কি একটা জরুরী কথা বলতে তার ‘প্রেজটিজের’ বস্তু মোবাইলটা ব্যবহারের জন্য জামসেদকে ডাকে রেশমার সরলমতী মা। এভাবেই জামসেদের সাথে একটা সম্পর্ক তৈরী হয় রেশমাদের পরিবারের সাথে। এতে ওই এজমালী বাড়ীতে তার অবাধ যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু ভাগ্যের সে এক নির্মম পরিহাস! এত সুযোগ পেয়েও যার জন্য রেশমাদের পরিবারে জামসেদের এত ত্যাগ, এত সাধনা, এত আয়োজন, এত সাজগুজ- দীর্ঘ ছয় মাস পার হলেও সেই মোমেনার টিকিরও দেখা পায়নি জামসেদ। সে যতক্ষণ রেশমাদের বাড়ীতে অবস্থান করতো- মোমেনা কোথায় যেন হাওয়া হয়ে যেত। একসময় জামসেদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। এতো কঠিন মেয়েরে বাবা! কত মেয়েকে ‘পটিয়ে’ যথারীতি ‘পঁচিয়ে’ ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে জামসেদ। সময় লেগেছে বড়জোর ১৫ থেকে ২৫ দিন। আর এ মেয়ের তো ছয় মাসেও পাত্তা নেই। ‘কাহাতক’ আর সহ্য করা যায়। একদিন বাড়াবাড়ি রকমের কান্ড করে বসে জামসেদ। স্থানীয় এক প্রেম বিশেষজ্ঞ দিয়ে ‘হৃদয় নিংড়ানো’ কিছু কথা লিখে সোজা মোমেনার পড়ার ঘরে চোখে পড়েমত বইয়ের ফাঁকে রেখে আসে। রাতে পড়তে বসে তা হস্তগত হয় মোমেনার। সামান্য পড়ে দেখে বুঝতে পারে এটা কার কান্ড। সে সোজা মাকে দেখায়। মোমেনা দু’দিন অপেক্ষা করে। এই দু’দিনে মা কিন্তু জামসেদকে ‘হ্যাঁ-না’ কিছুই বলেননি। হয়তো বা লজ্জায় কিংবা কিছুটা কৃতজ্ঞতায়। জামসেদের মত মোমেনার এতো সহ্যশক্তি ছিল না। মা’র এক ধরণের নিরবতা দেখে সে চাচাত ভাইদের ঘটনাটা জানায়। এতে কাজ হয়। পরদিন জামসেদ বাড়ী প্রবেশমাত্র রেশমার একপাল চাচাত ভাই তাকে চ্যাং-দোলা করে বাইরে রাস্তায় নিয়ে গিয়ে প্রকাশ্য-জনসম্মুখে গরুপেটার মত গণধোলাই দেয়। এ ঘটনা রাষ্ট্র হলে এককান দু’কান করে সুদুর সৌদি আরবে জামসেদের বাবার কানে পৌঁছে। তিনি তাঁর ছেলের বখাটেপনার খোজঁ-খবর নিয়ে এর সত্যতা পায় এবং অবিলম্বে ছেলেকে দুবাই নিয়ে যায়।

সে থেকে আর দেশে ফেরেনি জামসেদ। দীর্ঘবছর পর এই প্রথম ফেরা। এই দীর্ঘবছরে নাফ নদীর পানি সমুদ্র পানে গড়িয়েছে অনেক। রেশমা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। ফ্রক ছেড়ে সেলোয়ার-কামিজ পরা শুরু করে। ‘খুকী’ থেকে ‘বালিকা বালিকা’ ভাব এসে যায়। প্রকৃতির নিয়মে মোমেনাও পাল্লা দিয়ে কিশোরী থেকে তরুণীর রূপ ধারণ করে। চার দিক থেকে বিয়ের পয়গাম আসতে থাকে। ‘দেখে-শুনে’ মা-বাবা স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত বংশীয় পরিবারের উচ্চ শিক্ষিত ছেলের সাথে তার বিয়ে দেয়। গ্রামীণ রীতি অনুযায়ী মা-বাবা চির বিদায় নিলে এজমালী পরিবার ভেঙ্গে একক পরিবারে পরিণত হয়। রেশমারাও এর ব্যতিক্রম নয়। দাদা-দাদী মারা গেলে তাদের একেক চাচা একেক জায়গায় ঘর বেঁধে ‘জুদা’ হয়ে যায়। সৌদি থেকে রেশমার বাবা এসে নিজেই একখানা দালান তুলে যথেষ্ট সামর্থ্যের অভাবে তা অসমাপ্ত অবস্থায় রেখে আবার চলে যায়। এর দু’য়েক মাস পর সৌদিতে ব্রেনষ্ট্রোক হয়ে তিনি বেহেস্তে চলে যান। ওখানেই তাঁর দাফন-কাফন হয়। রেশমারা শেষবারের মত বাবার মুখখানা দেখার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়। একমাত্র উপার্জনাক্ষম বাবা দুনিয়া ছেড়ে গেলে পরিবারে দুঃখের ঘোর অমানিশা নেমে আসে রেশমাদের। রেশমাদের ভেঙ্গে নুয়ে পড়া পরিবারের হাল ধরতে ইন্টারমেডিয়েটে অধ্যয়নরত বড় ভাই পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে পাড়ি জমায় মধ্যপ্রাচ্য-দুবাইতে। আবার ধীরে ধীরে গা-ঝাড়া দিয়ে দাঁড়াতে থাকে রেশমাদের পরিবার।

এদিকে দীর্ঘ বছর পর দেশে ফেরায় বিভিন্ন বাড়ী থেকে জামসেদের জন্য ‘দাওয়াত’ আসতে থাকে। বিদেশ থেকে ফিরলে অথবা বিদেশে যাবার প্রাক্কালে প্রবাসীদের জন্য সামান্য ‘খানাপিনার’ আয়োজন- তাদের গ্রামের চিরায়ত প্রথা। এটা দীর্ঘ ধরে চলে আসছে। প্রথা অনুযায়ী রেশমাদের বাড়ী থেকেও দাওয়াত পৌঁছে। জামসেদ প্রথমে ভাবছিল সব দাওয়াত রক্ষা করলেও রেশমাদের দাওয়াতে যাবে না। কি হবে ওখানে গিয়ে। মোমেনা তো নেই। ছেলে-পিলে-স্বামী-সংসার নিয়ে সে তো এখন রীতিমত গৃহবধু। গ্রামে তার আরো হাফ-ডজন প্রাক্তন বান্ধবী আছে। যাদেরকে সে দেশে থাকাকালীন নানান ছলে-বলে-কৌশলে ‘পটিয়ে’ ভোগ-বিলাসের পর ‘পঁচিয়ে’ বিদায় করেছিল- তাদের কারো স্মৃতি জ্বালা ধরায় না। মনেও নেই। তার কাছে নারী মানে তো ভোগ্যপণ্য। কিন্তু মোমেনার কথা আলাদা। তার স্মৃতি তাকে রীতিমত জ্বালা ধরায়। এই দীর্ঘদিনেও মোমেনার ‘অবহেলা’ সে ভুলতে পারেনি। তাই সে রেশমাদের বাড়ীর দাওয়াতে যাবে না বলে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। কিন্তু রেশমাকে দেখার পর সে দৃঢ়তা বেশীদিন স্থায়ী হয়নি।

প্রথমে তো রেশমাকে দেখে ভুত দেখার মত থমকে দাঁড়ায় জামসেদ। এ তো মোমেনার অবিকল ছায়াছবি! এ তো রেশমা নয়; যেন মোমেনার ক্ষুদ্র সংস্করণ। জামসেদ যখন মোমেনাদের বাড়ীতে যেত- রেশমা তখন ছোট্ট খুকী- চোখে পড়ার মত ছিল না। এখন তাকে দেখে পুরানো ‘পোকা কিলবিল’ করে আবার মাথা ঝাড়া দিয়ে উঠে। জামসেদ মনে মনে সংকল্প করে বলে, ‘মোমেনা তোকে তো পেলাম না। তোকে নিয়ে অন্যদের মত আদর-সোহাগে ভোগ-বিলাসে মত্ত হতে তো পারলাম না। উল্টো অপমান করে মনে জ্বালা ধরে দিলি। এবার বাগে পেয়েছি তোকে; তোর ক্ষুদ্র সংস্করণ আদরের ছোট বোন রেশমাকে। সেও তোর মত ঘাড় ত্যাড়া হবে- সন্দেহ নেই। তবে যে করেই হোক তাকে ছলে-বলে-কৌশলে, প্রয়োজনে বিয়ের নামে হলেও ভোগ করবোই এবং ‘মজা’ শেষ হলে ছুড়ে ফেলে দিয়ে তোর মনে চিরদিনের জন্য জ্বালা ধরিয়ে প্রতিশোধের আগুন নিভাবো। এতে যত সময় লাগুক আর ধৈর্য্য ধরতে হোক- তোর প্রতিশোধ নিবোই নিবো।’ সে আরো বলে, ‘মোমেনা! তোদের আগের সেই জৌলুস আর নেই। নেই একপাল চাচাত ভাইদের দল আর তোর জাঁদারেল বাবা। আছেন বিধবা মা আর হাবাগোবা প্রবাসী বড় ভাই। তাদের দু’জনকে বাগে আনতে আমার বিন্দুমাত্র সময় লাগবে না। তুই আছিস সংসার নিয়ে। তুই কিছুই করতে পারবি না।’

প্রিয় পাঠক, জামসেদের সংকল্পের কথা, তার আগেকার চরিত্র, মোমেনাকে নিয়ে ঘটনা প্রবাহ- এ সবের বিন্দুবিসর্গ জানে না আজকের কিশোরী রেশমা। জানার কথাও নয়। সে তো তখন ছোট্ট খুকী। শুধু কি রেশমা! এসব জানে না তার অবাগী বিধবা মা আর হাবাগোবা টাইপের প্রবাসী বড় ভাই। জানে কেবল মোমেনা, জামসেদের তৎকালীন সতীর্থ বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী আর আত্মীয়-স্বজনরা। শিক্ষা গ্রহণের অবিরত সংগ্রামরত রেশমার সাথে যখন আমাদের সাক্ষাৎকার চলছিল- সে এসবের কিছুই বলেনি। সে বর্ণনা করছিল কেবল শিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে প্রতি পদে পদে বাঁধা-বিপত্তির কথা। বাকী ঘটনাগুলো আমরা সাংবাদিকতার স্বাভাবিক অনুসন্ধিৎস্যুতা নিয়ে ঘটনার গভীরে গিয়ে ‘সিন্দু সেঁচে মুক্তা আনা’র মত অনুসন্ধানে জানতে পারি। পাঠক, চলুন আগামী পর্ব গুলোতে ঘটনার ধারাবাহিকতা জানা যাক।

পূণশ্চ: রেশমার চলমান দাখিল পরীক্ষা বিঘিœত ঘটার আশংকায় সঙ্গত: কারণে তার পূর্ণ পরিচয় গোপন রেখে ছদ্মনামে এবং পাঠকের ধৈর্য্যচ্যুতি যাতে না হয়; সেদিকে লক্ষ্য রেখে প্রতিবেদনটি পাঁচ পর্বে বিভক্ত করে প্রায় গল্পাকারে লেখা হয়েছে।

###############
মুহাম্মদ ছলাহ্ উদ্দিন,
টেকনাফ ॥
মোবাইল নং-০১৮২৪-৮৭৯৩৫১

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন