পেকুয়ায় মাছের ঘেরের বিরোধের জের ধরে- সংঘর্ষে হতাহত-১১;আটক-৪

 

pekua pic 06-10-2015 (6)
এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মৎস্য প্রজেক্টের মালিকানা বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে ১জন নিহত ও ১০জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘঠেছে, গতকাল ৬অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলহাঁচুড়া নামক এলাকায়। নিহত ব্যক্তির নাম কপিল উদ্দিন(৩২)। সে ৩সন্তানের জনক ও স্থানীয় জসিম উদ্দিনের পুত্র। আহত ১০জনের মধ্যে ৮জনের পরিচয় মিললেও অন্য ১জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতরা হলেন, মোঃ হাসান(২৬), মকছুদ(৩৫), বাপ্পী(২৭), জয়নাল(৪০), সাজেদা বেগম(৩৫), পুতু বেগম(১২), নাইবু(২৮) ও মিনুয়ারা বেগম(২৮)। জানা যায়, ওই এলাকার মৎস্য প্রজেক্টের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত মাস দেড়েক আগেও একই বিষয় নিয়ে দু’পরিবারের মধ্যে রক্তক্ষয়ীয় সংঘর্ষে বেশ কিছু লোক আহতের ঘটনা সংঘঠিত হয়। কিন্তু বিষয়টি পারিবারিক উল্লেখ করে উভয় পক্ষ সংঘঠিত ঘটনায় মামলা করেনি। গতকাল মঙ্গলবার ফের বিরোধীয় মৎস্য প্রজেক্ট ও বেশ কিছু স্বত্বের মালিকানা বিষয় নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘঠে। পরে, একপক্ষ কাসেম মাষ্টারের পুত্র মোঃ কায়ছারের নেতৃত্বে একদল লোক বেআইনী জনতা গঠন করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিরোধীয় প্রতিপক্ষের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উক্ত হতাহতের ঘটনা ঘঠে। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও হতাহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পেকুয়া সদর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক নিহতের মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এসময় আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মকছুদ(৩৫), বাপ্পী(২৭), জয়নাল(৪০), সাজেদা বেগম(৩৫) ও অন্য ১জনকে আশংকাজনক জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেফার করেন। এঘটনার পর পরই পেকুয়া থানার ওসি মোঃ আবদুর রকিব ও ওসি(তদন্ত) মোঃ শহিদউল্লাহ’র নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত মুল হোতা স্থানীয় আবুল কাসেমের পুত্র কাইছার উদ্দিন(৩৭), ইমরান(৩০), নুরুল আলমের পুত্র আবদুল আলিম ও সামশুল আলমের পুত্র ইউনুচ নামের ৪জনকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখেন। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পেকুয়া থানার ওসি মোঃ আবদুর রকিব সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন