প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

 

গত ২৯ আগষ্ট কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএন)ও দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত “মানি লন্ডারিং করছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা, তালিকায় ১৫ শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী” শীর্ষক সংবাদখানা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের একাংশে আমার পিতা টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাফর আহমদ ও ২ বছর ধরে নিখোঁজ আমার বড় ভাই হাজী মোস্তাক আহমদকে সুকৌশলে মালয়শিয়া পাঠানো হয়েছে মর্মে উল্লেখ করে যে তথ্যপাত্ত্য উপস্থাপন করা হয়েছে এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক।
সাম্প্রতিক সময়ে একইভাবে আমাদের পরিবারকে জড়িয়ে কক্সবাজার জেলা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেছিল। আমি টেকনাফ উপজেলার সকল সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে যথাযথ জবাব প্রদান করি। এরপরও আমার পিতা ও আমার জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে আমাদের প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ বারবার ঘৃণ্যতম ইয়াবা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আমাদেরকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। যাহা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার শামিল। আমি টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জাতীয় শ্রমিকলীগ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, অতীত ও বর্তমান পর্যালোচনা করে বিভিন্ন প্রশাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট খোঁজখবর নিয়ে দেখুন। কোথাও আমাদের পরিবারের একজন সদস্যের বিরুদ্ধে ইয়াবা, মানবপাচার মামলা রয়েছে কিনা প্রকাশ করে দেখান। এছাড়া আমাদের আয়ের উৎস থেকে প্রতিবছর আমরা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে আসছি এবং রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মানি লন্ডারিংয়ের মত কোন কাজ আমরা করিনি। এ সমস্ত অবৈধকাজে আমরা জড়িত নয়। আমার পিতা জাফর আহমদ বাল্যকাল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করে জীর্বিকা নির্বাহ করে আসছে এবং তৃনমুল থেকে নিজ কর্মদক্ষতা, সমাজ সেবার মাধ্যমে টেকনাফ সদর ইউপি থেকে চারবার ইউপি সদস্য ও এর ধারাবাহিকতায় সদর ইউনিয়নের জনসাধারন বিপুল ভোটে চেয়ারম্যানও নির্বাচিত করে। সত্য ও ন্যায় বিচারের প্রতি অগাঢ় আস্থা এবং টেকনাফ উপজেলা ব্যাপী প্রবল জনপ্রিয়তায় ২০১৪ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী চুড়ান্ত করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সমর্থন নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তাহার জনপ্রিয়তায় পুত্র হিসেবে আমি ২০১৬ সালে ২২ মার্চ সদর ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। তাছাড়া ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উখিয়া-টেকনাফ আসনে আমার পিতা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বর্তমান সাংসদ আবদুর রহমান বদির পক্ষে নির্বাচনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। আমার পিতা টেকনাফ উপজেলা পরিষদের আইন শৃংখলা কমিটির উপদেষ্টা। আমি সেই কমিটির একজন সদস্য। সেই সুবাদে টেকনাফ উপজেলা ব্যাপী মরণ নেশা ইয়াবা নির্মুলে প্রশাসনের সহযোগী হয়ে শুরু থেকে এই পর্যন্ত ইয়াবা বিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমে সহযোগীতা করে আসছি। এ কারনে প্রকৃত ইয়াবা গডফাদার ও তাদের পৃষ্টপোষকেরা আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কতিপয় গনমাধ্যম কর্মীদের ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এতে আমার পরিবারকে সামনে এনে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আড়াল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
সুতরাং এধরণের মিথ্যা, ভিত্তিহীন কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যেমূলক সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ রইল। অন্যতায় এ ধরণের সংবাদ প্রকাশিত হলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য থাকিব।
প্রতিবাদকারী
শাহাজান মিয়া
চেয়ারম্যান,টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদ ও
সভাপতি, জাতীয় শ্রমিকলীগ,টেকনাফ উপজেলা শাখা।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন