প্রেমের টানে ঘর ছাড়লেন ৩ সন্তানের জননী

 

Image-laila-225x300ghgh

কামাল শিশির রামু প্রতিনিধি::
কক্সবাজার রামুর ঈদগড়ে পরিকয়া প্রেমের টানে ঘর ছাড়লেন ৩ সন্তানের জননী লায়লা বেগম। আর এই ঘটনাটি ঘটে ঈদগড় ধুমছাকাটা এলাকায়। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, গত ৭জুন ১৯৯৭ইং কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পোকখালী গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে লায়লা বেগমের সাথে ঈদগড় ধুমছাকাটা এলাকার মৃত ফেরদৌস মিয়াজীর পুত্র আজিজুল হকের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের ঘরে ১ছেলে ও ২মেয়ে জন্ম হয়। কিন্তু ২০০৮সালে এসে স্ত্রী লায়লা বেগম ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের নির্মাণ কাজের শ্রমিকের সাথে পরিকয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গিয়ে প্রথমে নিজের বাপের বাড়ী গেলেও পরবর্তীতে চট্টগ্রামস্থ জনৈক গামেন্টর্স ফ্যাক্টোরীতে চাকুরী নেয়। এমনকি স্বামীর নিজ বাড়ীতে ঐ শ্রমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় স্বামীর নিকট ধরা পড়ে যায়। দীর্ঘ ৩ বছর খোঁজাখুজির পর স্বামী আজিজুল হক ঈদগড়ের ১নং ওয়ার্ডের তৎকালীন মেম্বার মোহাম্মদ হোছেন এবং তৎকালীন চেয়ারম্যান ডাঃ জামাল উদ্দিন শাহ এর সহযোগিতায় স্ত্রী লায়লা বেগমকে পুনরায় বাড়ীতে ফেরত আনার চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হলে পুনরায় দ্বিতীয় বিয়ের জন্য লায়লা বগমের বাবার কাছে নোটিশ পাঠালে স্ত্রী লায়লা বেগম স্বামীর দ্বিতীয় বিবাহ তথাপি সন্তানদের ভবিষ্যৎ দিক চিন্তা ভাবনা পূর্বক ১২ ডিসেম্বর ২০০৯ ইং তারিখ অঙ্গিকার নামা দিয়ে স্বামীর ঘরে আবারো এসে সংসার জীবন শুরু করে। অঙ্গীকার নামায় স্ত্রী লায়লা বেগম ভবিষ্যতে এমন কর্মকান্ড ঘটাবেনা এবং যদি এমন কর্মকন্ড আবারো ঘটনায় তাহলে স্বামী যে কোন মুহুর্তে দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবে এমন অনুমতিও লিখে দেয়। এছাড়া কোন প্রকার আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেনা বলে অঙ্গিকার নামায় উল্লেখ করে যার স্বাক্ষী স্বরূপ রয়েছেন তৎকালীন ঈদগড় ১,২,৩নং ওয়ার্ডের আজিমুন্নাহার সহ আরো অনেকেই। এতেও স্বামীর সংসারে সুখ না এসে আবারো নানা ধরনের চিন্তা ভাবনা সহ স্ত্রীর পরকিয়ার ফাঁদে পড়ে গেল স্বামী আজিজুল হক। সম্প্রতি তথা গত জুন মাসের মাঝামাঝি তারিখে স্ত্রী লায়লা বেগম নিজের বাপের বাড়ীতে যাবে বলে সবার অগোচরে বাড়ীতে তার নিকট গচ্ছিত থাকা ১০ হাজার টাকা, ব্যবহারের স্বর্ণলংকার, ব্যবহারের মোবাইল সেট সহ আরো নানা প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে গোপনে পালিয়ে যায়। পরে স্বামী আজিজুল হক এ ব্যাপারে তাহার শ্বশুর শাহা আলমের সাথে যোগাযোগ করে সে বিষয়ে পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একখানা বিচার দাখিল করে। বাবার সাথে এবং স্বামী সহ পরিবারের অন্যান্যদের সাথে লাইলা বেগম মোবাইলে যোগাযোগ রাখলেও বর্তমানে কোথায় আছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছেনা। স্ত্রী লায়লা বেগম মোবাইলে স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ পুনরায় বিয়ে করার জন্য নানা ভাবে নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এমনকি সে অন্য পর পুরুষের সাথে বর্তমানে ঘর সংসার করতেছে বলে জানায়। চট্টগ্রামে অবস্থান করতেছে এমন তথ্য পাওয়া গেলেও চট্টগ্রাম কোন জায়গায় অবস্থান করতেছে স্ত্রী লায়লা বেগম তা জানতে না পেরে এক প্রকার দিশেহেরা হয়ে পড়েছে স্বামী আজিজুল হক। এ ব্যাপারে স্বামী আজিজুল হক জানান, তার স্ত্রী লায়লা বেগম পরকিয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে অতীতেও একবার পালিয়ে গেলে সবার অনুরোধে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা ভাবনা করে তাকে নিয়ে পুনরায় সংসার শুরু করলেও সম্প্রতি স্ত্রী আবারো তার পরকিয়া প্রেমিকের সাথে তার বাপের বাড়ী যাওয়ার কথা বলে সবার অগোচরে গোপনে পালিয়ে যায়। বর্তমানে তার কোন প্রকার হদিস মিলছেনা। লায়লা বেগমের পিতা শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানান, সম্প্রতি সে বাড়ীতে আসলে মেয়েকে শ্বাশুর বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার অন্য ভাইকে ডাক দিলে এমতাবস্থায় আবারো তার মেয়ে গোপনে পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান তার মেয়ের স্বভাব চরিত্র ততবেশি ভাল নয় এবং এই ব্যাপারে পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদে বিচারকালে চেয়ারম্যানকে তার মেয়ে গোপনে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অবগত করেন। তাছাড়া মেয়ের শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের কোন প্রকার দুষত্র“টি নেই বলে জানান। অন্যদিকে পালিয়ে যাওয়া স্ত্রী লায়লা বেগম স্বামীর ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও পরকিয়া প্রেমের বিষয়টি অস্বীকার করেননি। এছাড়া লায়লা বেগমের সন্তান নজরুল ইসলাম (১৭), মেয়ে সালমা (১২), নাছরিন (৭), বর্তমানে মা ছাড়া নানা কষ্টে দিন যাপন করতেছে। এমনকি তারা মায়ের জন্য আর্তনাদও করে। এ ঘটনায় পুরো ঈদগড়ে নানা জল্পনা ও কল্পনা সৃষ্টি হয়েছে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন