বহু অপকর্মের রাণী কুতুবদিয়ার ভিজিটর শারমিনের ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন

 

mail.google.comuyuyuu_10

শাহনেওয়াজ জিল্লু:: গত ৫ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজাদী, দৈনিক পূর্বদেশ ও কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক সমুদ্রকণ্ঠ পত্রিকায় ‘স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন কুতুবদিয়ায়’ সহ বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি কাল্পনিক ভিত্তিহীন বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবী করেছেন কবি সাংবাদিক সাহিত্যি ও সংস্কৃিত প্রেমী এবং রোমান্টিক চিন্তুক মো. আকতার হোছাইন কুতুবী। তিনি পত্রিকায় এক বিবৃতি দিয়ে বলেন, যিনি নিজেকে কুতুবদিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনার পরিদর্শিকা দাবী করে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আদৌ সে উপজেলা পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিক কিনা পাঠক ও সংবাদ কর্মীরা অবশ্যই যাচাই বাছাই করবেন। শারমিন সংবাদ সম্মেলনে যে মিথ্যাচার করেছেন এবং আমার মান হানি করেছেন সেটা সম্মানিত পাঠকবৃন্দ ওই নিউজটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। কেননা আমি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে কক্সবাজার শহরের সামাজিক সাংস্কৃতিক ও সংবাদপত্র জগতে আমার পদচারণা। আমি কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত কোন কোন পত্রিকায় কোন কোন পদে দায়িত্ব পালন করেছি সেটা সাংবাদিক ও সচেতন মহলসহ সবারই জানা। আমি এখনো বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নবগঠিত কমিটির ১নং সহ-সভাপতি। কক্সবাজার রাজনৈতিক সচেতন মহল জানেন, ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে জাতিয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলকে কক্সবাজার জেলাতে আমি জন্ম দিয়েছি। প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি দীর্ঘদিন ধরে। আর বিয়ের সময় আমি কোন চাকুরির ইন্টারভিও দিতে যায়নি যে আমার সকল সার্টিফিকেট কোনটি কিরকম তা সংবাদ সম্মেলনকারী শারমিন ও তার পরিবারের জানার বিষয় ছিল। সুতরাং আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে তা কোনভাবেই যুক্তি সঙ্গত তো নয় বটে এটি ছিল শারমিনের দেওয়া একটি ডাহা মিথ্যাচারপূর্ণ লিখিত বক্তব্য। আমার একাডেমিক কোয়ালিফিকেশন কতটুকু আছে সেটি আদালতেই প্রমাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে যেসব লিখিত বক্তব্য শারমিন পাঠ করেছেন ও পত্রিকায় প্রকাশ করেছেন তা যদি আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে ব্যার্থ হয় যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শারমিন ও তার পরিবারকে আইনী পন্থায় মোকাবেলা করা হবে। আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত মেসার্স দ্বীপ কন্সট্রাকশনের মালিক, কক্সবাজার শহরে আমার ৬শতক বিশিষ্ট বাগান বাড়ি, প্লট থাকা মিথ্যার কিছু নয়। আমি কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের মেম্বার। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য ও কক্সবাজার জেলা ক্রিড়া সংস্থার সাবেক সদস্য। এতে মিথ্যার কিছু নেই। আরোও পদ পদবী সহায় সম্পত্তি আমার আছে কি নাই সে মর্মে আপনি সংবাদ সম্মেলনকারী শারমীন যদি আদালতে প্রমাণ করতে পারেন তাহলে মনে করবো আপনি ফজলুল করিম সাহেবের সুযোগ্য কন্যা। আপনি নিজের কুকীর্তিকে আড়াল করার জন্য একের পর এক অপরাধ সংঘটিত করে মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য প্রশাসন ও জনগনের চোখে ধুলো দেওয়ার কুমানসে এসব কিছু করে যাচ্ছেন। এবং তার পরকিয়া প্রেমের জনৈক নায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে যখন অভিযোগ করা হয়েছে তাকে ও নিজেকে সুফি সাদক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে এই মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন। এই প্রতিবেদককে আকতার কুতুবী জানান, শারমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। কোনটি ছেড়ে কোনটি বলবো। প্রথমত: সে নিজেকে কুমারী পরিচয় দিয়ে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারনা পূর্বক দ্বিতীয় বিবাহ এবং আমার অগোচরে ভিজিটর হওয়ার সুবাদে তার গর্ভে থাকা আমার ঔরশজাত সন্তানকে গর্ভপাত ঘঠিয়ে হত্যা করেছে। এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় জি.আর- ৩৮৯/১৪ইং মামলা রুজু করা হয়েছে। এর আগে ২৩ মে চুরি করার অপরাধে শারমিনসহ তার পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় জি.আর ৫৮/১৪ মামলা রুজু করা হয়। বেআইনী জনতাবদ্ধ পথরোধ করত: মারপিট করিয়া অন্যায় আটক করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে জি.আর ৪৩৫/১৪ নিয়মিত মামলা রুজু হয়। কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার মডেল থানায় জিডিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করা হয়। গত ২৭ মে তার পিতা ফজলুল করিমকে বিভিন্ন অপরাধে কুতুবদিয়া থেকে চকরিয়ায় বদলি করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হয়ে কক্সবাজার জেলা কারাগারে গেলে চাকরির বিধি মালা মোতাবেক তাকে স্বাস্থ্য সহকারীর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। যারা এখন শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্ঠা চালাচ্ছেন তারাও এখন বরখাস্ত হওয়ার পথে। শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার। তাই এইসব বুঝতে পেরে পাগলের প্রলাপ বকতে শুরু করেছেন। এইসেই শারমিন যার বিরুদ্ধে ঢাকা চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে কক্সবাজারের সকল অনলাইন মিডিয়ায় তার কুকীর্তির সংবাদ পূর্বে ছাপা হয়েছিল। ওই ঘটনায় কক্সবাজারসহ সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্ঠি হয়েছিল। আলোড়ন সৃষ্টিকারী ওই ঘটনায় জেলার সকল সুশীল ব্যাক্তিবর্গ আকতার কুতুবীকে অভিনন্দন ও সমবেদনা জানিয়েছিল। স্থানীয় শিক্ষক আব্দুল কাদের জানান, শারমিন বুড়ো বয়সে এসে নিজের দৈহিক সৌন্দর্য্যকে পুঁজি করে একের পর এক অপরাধ সংঘটিত করে যাচ্ছে। এই ধ্যুর্ত প্রকৃতির মহিলা বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। স্বাস্থ কেন্দ্রের ঔষুধ চুরি করে তার ভাই পরিবার কল্যান পরিদর্শক ওমর ফারুকের মালিকানাধীন জনসেবা ফার্মেসীতে অহরহ বিক্রি করা হচ্ছে। এব্যাপারে জেলার উপ পরিচালককে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক আ.লীগ নেতা। অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো, পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ সহ নানা অপরাধে অভিযুক্ত শারমিন আকতার ধরাকে সরাজ্ঞান করে হরদম চালিয়ে যাচ্ছেন তার অপকর্ম। সম্পদ ও সম্পত্তির লোভে এবং বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের মামলা থেকে নিজেকে ও তার সহযোগীদের বাচানোর জন্য নিজের শরীর বিকিয়ে দিতে পারদর্শী নারী নামের কলঙ্ক উক্ত ভিজিটর শারমিন। সত্যকে মিথ্যা দিয়ে কখনো আড়াল করা যায়না। শারমিন ও তার পরিবার এক প্রভাবশালী ছত্রছায়ায় যেভাবে মিথ্যাচার মিথ্যামামলা ও অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তা অচীরেই তাদের আসল চেহারা জনগনের সামনে উন্মোচিত হবেই। আকতার কুতুবী বলেন, মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন ও মামলা করে সত্যকে দমিয়ে রাখা যাবেনা ইনশা আল্লাহ। মিথ্যার পতন অবশ্যম্ভাবী। ভবিষ্যতে এধরণের কাল্পনিক কান্ডজ্ঞানহীন ও কুলাঙ্গারদের মত সংবাদ সম্মেলন করে কুরুচীপূর্ণ মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও কল্প কাহিনী বানিয়ে মিথ্যা মামলা না করার পরামর্শ প্রদান করছি। আর এই পরামর্শ যদি নেতিবাচক বা আমার দুর্বলতা মনে করেন তাহলে আমি মনে করবো আপনারা বোকার স্বর্গে বসবাস করেন। একদিন আদালতে যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন সব মামলা মোকাদ্দমা সাক্ষী ও প্রমাণাদীর ভিত্তিতেই প্রমাণিত হবে। আর আমি যদি অপরাধ করে থাকি আমারোও শাস্তি হউক এই প্রত্যাশায় প্রত্যাশিত আমি। এব্যাপারে শারমিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন