ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

 

Chatra Dall PICTURE 10.06.2015

বার্তা পরিবেশক
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে চিকিৎসাধীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও কক্সবাজারবাসির আদরের প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের উন্নত চিকিৎসা ও সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নিয়েও ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বানচাল করেই সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদল মহেশখালী উপজেলা শাখা আয়োজিত ওই সমাবেশে জেলা ছাত্রদল সভাপতি রাশেদুল হক রাসেল প্রধান অতিথি, সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দিন প্রধান বক্তা ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুল ইসলাম শাহীন বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
চক্রান্তকারিদের চক্রান্ত নস্যাত করে হওয়া ওই সমাবেশে ছাত্রদল সভাপতি রাশেদুল হক রাসেল বলেন, ‘যারা চক্রান্ত করছেন তারা চাইলেই সালাহউদ্দিন আহমদের জনপ্রিয়তাকে বাধাগ্রস্থ করা যাবে না।’
তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘ওরা যদি সালাহউদ্দিনকে ভালোবাসতেন তাহলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ কর্মসূচি বানচালে চক্রান্ত করতে পারতেন না।’
রাশেদুল হক রাসেল বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের উন্নত চিকিৎসা ও সবধরণের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলন করছি। এটি একজন নেতার জন্য তাঁর কর্মীদের ভালোবাসার আন্দোলন। এই কর্মসূচিতে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবেন তারা শুধু সালাহউদ্দিন আহমদ নয়, পুরো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শত্রু।’
বুধবার বিকালে মহেশখালীর গোরকঘাটাস্থ পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহেশখালী উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আজিজুল করিম জয়।
সমাবেশে প্রধান বক্তা সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দিন বলেন, ‘সালাহউদ্দিন আহমদ শুধু বিএনপির নেতা নন, তিনি কক্সবাজারবাসির নেতা। কক্সবাজারকে উচ্চ মহলে কেউ যদি সত্যিকার ভাবে উপস্থাপন করার ক্ষমতা রাখেন তিনি একমাত্র সালাহউদ্দিন আহমদ। আর সেই সালাহউদ্দিন আহমদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আয়োজিত মিছিল-সমাবেশে বাধা দেয়া ও চক্রান্ত করা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।’
জেলা ছাত্রদল সভাপতি রাশেদুল হক রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দিন চক্রান্তকারিদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করে ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানান। তারা বলেন, ‘অতীতে কী হয়েছে তা আমরা ভুলে গেছি। যারা এখনও পুরনো ভুলের মধ্যে আছেন তারা সত্যের কাছে ফিরে আসুন।’
মহেশখালী উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আজিজুল করিম জয় জানান, দীর্ঘদিন আগে থেকেই উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের এই কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। কিন্তু কতিপয় চক্র এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে প্রশাসন ও পুলিশকে দিয়ে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। যদিও তাদের চক্রান্ত সফল হয়নি।
ইতিপূর্বে জেলা ছাত্রদল নেতারা গোরকঘাটা জেটি ঘাটে পৌছালে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মোটর শোভাযাত্রা নিয়ে তাদের স্বাগত জানান। মোটরবহর নিয়েই নেতাদের অনুষ্টানস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।
উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মুরাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউল্লাহ বোখারী, মহেশখালী উপজেলা যুবদল সভাপতি মকসুদুল আলম নিরু, সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার পাশা, যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক ডালিম, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াদ মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কাশেম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলম, সহ-সাধারন সম্পাদক ইমরান খান, সাকের উল্লাহ সাগর, পৌর ছাত্রদল নেতা জাহেদুল হক জাহেদ, আবু ফয়সাল, উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোরশেদ আলম ছোটন, সাহেদুল ইসলাম, এ ইউ জুয়েল চৌধুরী, মুবিনুল ইসলাম সৈকত, কলিম উল্লাহ, নুরুল আবছার, সাকের উল্লাহ, ফজলুল করিম, সৌরভ হাসান শিপলু, এবাদুল হক, মাসুদ, রফিকুল ইসলাম, এহছানুল হক, হানিফ, মাহবুবুল আলম, সোহেল রানা, শাহজালাল, সাইফুল ইসলাম, মাহবুব আলম, ওমর ফারুক, আবদুল্লাহ, ফরমান প্রমূখ।
সমাবেশ শেষে জেলা ছাত্রদল নেতারা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে মিছিল সহকারে এসে মহেশখালী ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা জেলা নেতাদের গোরকঘাটা জেটি পর্যন্ত পৌছে দেন।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন