মালায়শিয়ায় যেভাবে দিন যায় সাগর পথ দিয়ে আসা সেই হাজার হাজার বাংলাদেশি ও মায়ানমার শ্রমিকদের

 

আব্দুল্লাহ সানি,মালয়েশিয়া:
যেখানে বিমান দিয়ে বাংলাদেশ শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে মালায়শিয়া কোয়ালালামপুর বিমান বন্দরে যেতে সময় লাগে মাত্র দুই ঘন্টা পঞ্জাশ মিনিট,সেখানে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাষমান হয়ে দশ থেকে বিশ দিন পর্যন্ত অনহারে কোনো মূহুরতে কুল ছুঁয়েছিলো এসব শ্রমিকগন,অতপর তাদের নিয়ে আসা হতো থাইলেন্ডের কেলাং নামের একটি উপসাগর যার মাঝে রয়েছে উছুঁ উছু পাহাড় বন আর বন,দূর থেকে দেখে কারো বোঝার উপাই নেইযে সেখানে মানবের বসতি আছে,অতছ উখানে রয়েছে হাজার হাজার সাগর দিয়ে ভেষে আসা লোকসকল যাদের রাখা হয়েছে জিম্মি করে দালাদের পাহারায়,টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিজনকে আটকে রাখা হয়,টাকা পরিশোধ করতে দেরি হলে প্রহার করার জন্য রয়েছে থাইলেন্ডের এক ধরনের লোক যারা দেখতে চাকমার মতো দেখাই,তারা মারতে মারতে অনেক লোক অজ্ঞান হয়ে মরে যেতো,
ওখান থেকে যারা টাকা পরিশোধ করতে পারে তাদেরকে মুক্ত করে দিতো এবং তুলে দিতো আরেক দালাল যে পথ দেখায় দেবে মালায়শিয়ার,তার দায়িত্ব মালায়শিয়ার ওপারে পৌছে দেওয়া মাত্র,
অতপর মালায়েশিয়ার পেনাং,জুহুর বারু,লাংকাওয়ি,সিংগাপাতানি,ইপ্পু,ইত্যাদি পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করে দিতো,তার পর ঐ দালাল চলে যেতো তার গনতব্যে,যদি ভুক্তভোগী একের অধিক হয় তাহলে কারোনা কারো কেউ পরিচিত লোকের সাহায্যে সবাই বেছে যেতো,অন্যতায় ধরা পড়ে যেতো পুলিশের হাতে,যারা ধরা পড়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে,ওখানে প্রশ্ন করা হয় ভুক্তভোগী কোন দেশী, ভুক্তভোগী যদি বাংলাদেশের হয় তার নাম ঠিকানা নিয়ে বাংলাদেশি ইমেগ্রেশনের কাছে একটা মিনি নোটীস দিতো,
আর যদি ভুক্তভোগী মায়ানমারের হয়ে থাকে তার নামে প্রথমে শাস্তি হিসেবে ছয় মাসের জেল মওকুফ করা হবে,যখন জেল কাটা শেষ হবে তখন তাকে একটা শরনার্থি কার্ড দেওয়া হবে,যেখানে লিখা থাকবে এ মিসকিন একে সহায় করো,
অতপর তাকে 80 রিংগিত দেবে গাড়ি ভাড়া হিসেবে সে কোথায় যাবে কি করবে এ ব্যপারে তারা কিছু বলবেনা,

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন