মাল্টিপারপাস সমিতির ১৫৪ একর জমিতে লবণ উৎপাদনের জন্য চাষীরা মাঠে নামতে পারেনি

 

11218950_984896908234077_3410699557945902323_n
বার্তা পরিবেশক :
এশিয়ার ২য় বৃহত্তম সমিতি খ্যাত মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়ন মাল্টিপারপাস সমবায় সমিতির ১৫৪ একর জমিতে লবণ উৎপাদনের জন্য চাষীরা এখনো মাঠে নামতে পারেনি। বড় মহেশখালী মাল্টিপারপাস সমবায় সমিতির কতিপয় বিএনপির ক্ষমতাধর প্রভাবশালী সদস্য মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সাবেক সাংসদ আলমগীর ফরিদ, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ, এনায়েত উল্লাহ বাবুল ও হাবিবুল্লাহ গং এর স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অন্যায় প্রভাবের কারণে সমিতির অপরাপর সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে লবণ উৎপাদনের জন্য মাঠে নামতে দেয়নি সাধারণ সদস্যদের। ফলে ১৫৪ একর লবণ জমি এখনো খালি পড়ে আছে। কৃষি বান্ধব ও উৎপাদনমুখী বর্তমান সরকারের আমলে সমিতির ১৫৪ একর জমিতে লবণ উৎপাদন না হওয়ায় চাষীরা হতাশায় ভূগছেন। বর্তমান সরকারের আমলে কতিপয় বিএনপি নামধারী সমিতির প্রভাবশালী সদস্যরা লবণ উৎপাদনের জমিতে অন্যায় হস্তক্ষেপের কারণে বড় মহেশখালী মৌজার সমিতি ঘোনার ১৫৪ একর জমি বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। সাধারণ লবণ চাষীরা লবণ উৎপাদন করতে না পারায় আর্থিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে অন্যদিকে লবণ উৎপাদনের ঘাটতিসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন সমিতির সাধারণ সদস্যরা। এই পরিস্থিতিতে অসাধু কিছু লবণ মিল মালিক সরকারকে ভুল তথ্য দিয়ে বিদেশ থেকে লবণ আমদানির পায়তারা করছে। কিন্তু বর্তমান সরকার দেশীয় উৎপাদনকে প্রধান্য দিয়ে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধ করেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে সাধারণ লবণ চাষীরা উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে লবণ চাষে আগ্রহী হয়ে পড়লে বিএনপির ক্ষমতাধর কয়েকজন নেতা অত্র সমিতির সদস্য প্রভাব বিস্তার করে সমিতির অন্যান্য সাধারণ সদস্যদের লবণ উৎপাদনে বাঁধা দিয়ে আসছে। এমত অবস্থায় যেকোন মুহুর্তে বড়ধরনের রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের আশংকা করাহচ্ছে বলে এলাকা বাসি জানিয়েছেন। এই মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে বাচাঁতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অত্র সমিতির সাধারন সদস্যরা।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন