মিয়ানমারে আটক ১০ মাঝিমাল্লাসহ ফিশিং ট্রলার ফিরিয়ে আনতে টেকনাফ বিজিবি অধিনায়কের কাছে আবেদন

 

teknafnews71 (201)
আশেক উল্লাহ ফারুকী []দীর্ঘ ৩ মাস ধরে মিয়ানমারে আটক ১০ মাঝিমাল্লাসহ বাংলাদেশের একটি ফিশিং ট্রলার ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নিতে ৮ মার্চ সকালে টেকনাফস্থ ৪২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে অধিনায়কের নিকট আবেদন দেয়া হয়েছে। ১০ মাঝিমাল্লাসহ মিয়ানমারে বন্দী ফিশিং ট্রলারের মালিক কুতুবদিয়া উত্তর ধুরুং ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আবদুস সমদের পুত্র আবদুল মোনাফ অপহৃত ১০ জন জেলের ছবি, জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র ও জাতীয়তা সনদসহ আবেদন হস্তান্তর করেন। কুতুবদিয়া দক্ষিণ ধুরুং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ছৈয়দ আহমদ চৌধুরী ও টেকনাফের প্রবীণ সংবাদকর্মী মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী এসময় উপস্থিত ছিলেন। মিয়ানমারে আটক ১০ মাঝি-মাল্লারা হচ্ছে কুতুবদিয়া পুর্ব চর আবদুল মুনাফ ও ফরিদা ইয়াসমিনের পুত্র সরওয়ার আলম, জুইজ্যারপাড়া আক্তার আলম ও শাকেরা বেগমের পুত্র রবিউল হোছাইন, শাহরুম সিকদারপাড়া শফিউল আলম ও রশিদা বেগমের পুত্র মোঃ ফারুক, মোঃ ইউনুচ ও নুরুন্নাহার বেগমের পুত্র মোহাম্মদ শাহেদ, মৃত নুরুল আলম ও মুহসেনা বেগমের পুত্র মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মৃত সুলতান আহমদ ও ভেলুয়া খাতুনের পুত্র নুরুল হক, আবুল কাসেম ও জোসনা বেগমের পুত্র সাইফুল ইসলাম, পেঁচারপাড়া আবদুল করিম ও রাবেয়া বেগমের পুত্র মোহাম্মদ আরাফাত, জোনাব আকবর ও লাইলা বেগমের পুত্র আবদুল করিম, ধুরুং কাচা মৃত মোক্তার আহমদ ও আনোয়ারা বেগমের পুত্র আবু বক্কর সিদ্দিক। আবেদনে বলা হয়- গত ১০ ডিসেম্বর কুতুবদিয়া ঘাট থেকে মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে ১০ জন মাঝিমাল্লা গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়েছিল। বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ফিশিং ট্রলারটি নিখোঁজ হওয়ায় ২৬ মার্চ কুতুবদিয়া থানায় জিডি (নং-১১৩৮) করা হয়েছিল। সাগরে মাছ শিকার রত অবস্থায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে ফিশিং ট্রলারটি ভাসতে ভাসতে মিয়ানমার সীমানায় প্রবেশ করলে সেদেশের নৌবাহিনী ১০ জন মাঝিমাল্লাসহ ফিশিং ট্রলারটি ধরে নিয়ে যায়। তা বর্তমানে মিয়ানমার আকিয়াব জেলার চেপ্রু থানাধীন কারাগারে রয়েছে। মুল্যবান সম্পদ উপার্জনের মাধ্যম ফিশিং ট্রলারটি দীর্ঘ সময় আটক অবস্থায় থাকার কারণে ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। অপরদিকে ১০ জন মাঝিমাল্লা সকলেই অসহায় গরীব। গৃহকর্তার অবর্তমানে তাদের পোষ্যগণ অর্ধাহারে অনাহারে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। #

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন