‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট যে-ই হোক, সম্পর্ক বদলাবে না’

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর তার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট।hh

তারা দুজনেই বলেছেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যিনিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হোন না কেন বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হবে না।
সোমবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত সেতু ভবনে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মার্শা বার্নিকাট।

পরে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, “আমেরিকান অ্যাম্বাসাডর যে কথাটা বলেছেন আমাদের সাথে, যিনিই প্রেসিডেন্ট হোন, যে গর্ভনমেন্টই ক্ষমতায় আসুন আমাদের সাথে সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না।

“আমিও বলতে চাই, আমেরিকায় যে সরকার বা যিনিই প্রেসিডেন্ট হোন না কেন বাংলাদেশের সাথে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হবে না।”

৮ নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জানান, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের পর দলের নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচন সামনে, নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেবে জানুয়ারিতে। বেসরকারি খাতে উন্নয়নে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালি মডেল হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বিনিয়োগ ও ব্যবসায় আমরা আরও সহযোগিতা করতে চাই।”

রাষ্ট্রদূত বলেন, “সরকার বা প্রেসিডেন্ট পরিবর্তনে আমাদের চ্যালেঞ্জ বা বন্ধুত্বের সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হয় না। এই সম্পর্ক রক্ষা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সহায়তায় প্রত্যেক প্রেসিডেন্টের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি তাকে।”

‘যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে বিএনপিকে উৎফুল্ল দেখাচ্ছে’ বলে সাংবাদিকরা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি উৎফুল্ল হলে হতেই পারে, এটা তাদের নিজেদের ব্যাপার।

“আমি জানতাম, ভারতে নরেন্দ মোদি যখন জিতে যাচ্ছেন তখনও এ রকমই তারা উৎফুল্ল ছিলেন, বাকিটা বলতে চাই না। তখন আমি বলেছিলাম, ইলেকশন হচ্ছে ভারতে আমরা কেন এত উৎফুল্ল হচ্ছি, প্রয়োজন আছে কী? এর কোনো দরকার নেই।”

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক ও সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

–বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন