রামুর ঈদগড়ে স্ত্রী কর্তৃক স্বামী -শাশুড়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

 

FRp-CAEe9Jg7R-gAanUcfNyqRX
কামাল শিশির, রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি-

কক্সবাজার রামুর ঈদগড়ে স্বামী ও দেবরসহ শাশুর-শাশুড়ীর বিরুদ্ধে আদালতে স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৪ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল কক্সবাজার এ মামলাটি দায়ের করেন ঈদগড় কোণার পাড়া এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী ছামিরা বেগম।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারী ইসলামী শরিয়া মোতাবেক কাবিন নামা মুলে ইসলামপুর উত্তর নাপিতখালী এলাকার হাজী মোক্তার আহমদের মেয়ে ছামিরা বেগমের সাথে ঈদগড় কোণারপাড়া এলাকার আবদুল আজিজের পুত্র আজিজুল হকের আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের আনুমানিক ৪০/৫০দিন যেতে না যেতেই স্ত্রী ছামিরার শারিরিক সমস্যা দেখা দিলে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে ছামিরার ভাই আবু হুরাইরা ঈদগড়ে এসে বোন ছামিরাকে তার স্বর্ণালংকার ও কাপড়-চোপড়সহ যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে নাপিতখালীস্থ বাপের বাড়ীতে চিকিৎসা ও বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে দীর্ঘকয়েকদিন বাপের বাড়ী থাকার পরও শাশুর বাড়ীতে চলে না আসায় স্বামী পক্ষের লোকজন তথা শাশুর আবদুল আজিজসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগন তাকে আনতে গেলে স্বর্ণের দোহায় দিয়ে বাপের বাড়ীতে রয়ে যায়। এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে স্বামী আবদুল আজিজ কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডভোকেট সাজ্জাদুল করিম কর্তৃক ৪ মে এক সাপ্তাহের মধ্যে স্বামীর বাড়ীতে চলে আসার জন্য স্ত্রী ছামিরা বেগমকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করে। লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পর স্ত্রী ছামিরা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী আজিজুল হক, শাশুর আবদুল আজিজ, শাশুড়ী এলমন নাহার, দেবর মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ও যৌতুকের জন্য নির্যাতন এবং নগদ কয়েক লক্ষ টাকা নগদ প্রদানসহ আরো টাকা দাবী করেছে মর্মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কক্সবাজারে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে শাশুর বাড়ীর লোকজনকে হয়রানীর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বয়োবৃদ্ধ শাশুর আবদুল আজিজ উল্লেখিত মিথ্যা বানোয়াট মামলার ঘটনা সরেজমিনে তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত একটি আবেদন দাখিল করেন। হতভাগা স্বামী আবদুল আজিজ এব্যাপারে প্রশাসনের জরুরী সহযোগিতা কামনা করছেন।মামলার বাদী ছামিরা বেগমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে এনিয়ে দু’ পরিবারের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মোবাইল নাম্বার ০১৮২২২৪১১৬৯

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন