সেন্টমার্টিনের প্রাণ যায়!

 

samation-1

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ, জমি বেচাকেনা করা যাবে না।বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ, জমি বেচাকেনা করা যাবে না। অথচ এই দ্বীপে এখন হোটেল-মোটেলই আছে ৩২টি।
দ্বীপের বালিয়াড়ি ছেয়ে গেছে ছোট-বড় অসংখ্য স্থাপনায়। সৈকতসহ বিভিন্ন স্থানে চলছে অবৈধ স্থাপনা তৈরির হিড়িক। শীত মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে দেশি-বিদেশি তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটিতে ভিড় জমান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এই দ্বীপের প্রাণ এখন যায় যায়! জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মানুষের অতিরিক্ত চাপ না কমানো গেলে দ্বীপটি সাগরে হারিয়ে যেতে পারে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের আরেক কর্মকর্তা বলেন, দ্বীপে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি-হইচই, সৈকতে রাতের বেলায় লাইটিং, শব্দদূষণসহ নানা পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ফলে সেন্ট মার্টিনে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। হারিয়ে যাচ্ছে সামুদ্রিক কচ্ছপ। দ্বীপটির প্রতিবেশব্যবস্থা দিন দিন ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পর্যটকদের চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে দ্বীপটির পানির স্তর ক্রমান্বয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ৭০ শতাংশ নলকূপের পানি লবণাক্ত হয়ে পড়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ১৯৭২ সালে এই দ্বীপে ১১২ জনের বসতি ছিল। আর এখন প্রায় নয় হাজার।
সূত্র : প্রথম আলো

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন