সেন্টমার্টিন জিঞ্জিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৫ শ শিক্ষার্থীর জন্য দুই শিক্ষক!

 

wer423424শাহীনশাহ, টেকনাফ[] বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে জিঞ্জিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫৫৩ জন শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র দুই জন শিক্ষক। এর মধ্যে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এনামুল্লাহ অপরজন প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক মোঃ রফিক। তাদের পাঠদান করতে মারত্বকভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যথানিয়মে পাঠ নিতে পারছেনা এমন অভিযোগ ওই বিদ্যলয়ের অভিভাবক মহলের। চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মাঝে রয়েছেন তারা। দেশের সর্ববৃহৎ পিএসসি পরীক্ষাসহ সকল শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষা নিকটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১জন শিক্ষকের ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের নিয়ম থাকলে শিক্ষা ব্যবস্থার দৈন্যদশার কারণে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়। এমনিতে কক্সবাজার জেলার মধ্যে টেকনাফ উপজেলায় শিক্ষার হারে নিচু অবস্থান করলেও সংশ্লিষ্টদের কোন উদ্যোগ না থাকায় এ নিচু অবস্থানের কোন উন্নতি হচ্ছেনা। পিএসসি পরীক্ষার্থী মাসুমা আক্তার ও চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র আশরাফুল গণি এ প্রতিবেদককে জানান, তারা সঠিকভাবে পাঠ নিতে পারছেনা এবং পড়া লেখার বিঘœ ঘটছে। অভিভাবক মাহে আলম সোহাগ বলেন, সামনে বার্ষিক পরীক্ষা হওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন। তিনি শিগগিরই শিক্ষক নিয়োগের দাবী জানান। বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও সেন্টমার্টিন আওয়ামীলীগ সভাপতি মুজিবুর রহমান জানান, সরকারী বিধি মোতবেক শিক্ষক নিযোগ দিতে বিভিন্ন প্রসেসিংয়ের কারণে কালক্ষেপন হলে ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষাজীবন রক্ষা করতে অন্তত প্যারা শিক্ষক নিয়োগ করা প্রয়োজন। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, বিস্তীর্ণ দ্বীপে শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা থেকে উত্তরণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবী জানান। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বিদ্যামান এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবন অন্ধকার হয়ে পড়বে। এ ব্যাপরে টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সব্রত কুমার ধর শিক্ষক সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, প্যারা শিক্ষকের জন্য আসন্ন ঈদুল আযহার পূর্বে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে এবং ঈদুল আযহার পরপরই শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন