সেন্টমার্টিনে পর্যটকের ঢল, ভাঙ্গা জেটিতে উঠা নামায় ভোগান্তি

 

আব্দুল মালেক,সেন্টমার্টিন :
বাংলাদেশ মানচিত্রের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান বিন্দুটির নাম সেন্টমার্টিন দ্বীপ। দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। অপরুপ সৌন্দর্যময় দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লক্ষাদিক দেশী-বিদেশী পর্যটক ভ্রমণে আসে। ভ্রমণে আসা পর্যটকরা প্রথমদিকে স্থানীয় সার্ভিস বোটে সেন্টমার্টিনে আসতো। পরে সীট্রাক,কেয়ারী সিনবাদ,কেয়ারী ক্রুজ এন্ড ডাইন, ফারহান, কাজল, ঈগল,ব্যা-ক্রোজ, ইত্যাদি জাহাজে সেন্টমার্টিনে আসে। সেন্টমার্টিন পূর্ব ঘাটে যাত্রীরা উঠা নামা করার জন্য স্থানীয় মালিকানাদিন একটি মাত্র কাটের ব্রিজ ছিল যা ১৯৯৯ সালে বিনষ্ট হয়ে যায়। ভ্রমণে আসা পর্যটক ও স্থানীয়দের সুবিধার্থে বাংলাদেশ সরকার ২০০৪ সালে দশ কোটি টাকা ব্যায়ে সেন্টমার্টিন প্রধান ঘাটে ব্রিজ নির্মাণ করেন। ব্রিজটি নির্মিত হওয়ায় পর্যটক এবং স্থানীয়রা নিরাপদে উঠা নামা করে, কিন্তু গত ২৮ ও ২৯ জুলাই প্রাকৃতিক সৃষ্ট ঘূর্নিঝড় কোমেনের উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের ধাক্কায় জেটির প্রধান পটকের কিছু আংশ ভেঙ্গে যায়। জেটির প্রধান পটক ভেঙ্গে যাওয়ায় পর্যটকরা টাইমলি জাহাজ থেকে উঠা নামা করতে পারছেনা বলে অভিযোগ করছে ভ্রমণে আসা রানা,আবদুল্লাহ, এনায়েত,রাশেদ,হালিম,নজরুলেরমত অনেক পর্যটক।
আজ ২ অক্টোবর গাজিপুর থেকে আসা সাইদুল ইসলাম বলেন,আমি টেকনাফ থেকে সকাল ৯.৩০ মিনিটে কেয়ারী জাহাজে দুপুর ১২ টা নাঘাত সেন্টমার্টিন ঘাটে পৌছায়। কিন্তু জাহাজ থেকে নামতে ১ঘন্টার মতো সময় লেগে যায়। অনেক রিস্ক নিয়ে জাহাজ থেকে অবতরণ করতে হচ্ছে। যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কেয়ারী সিনবাদ টেকনাফ ইনচার্জ শাহ্ আলম বলেন, সেন্টমার্টিন জেটির পূর্বের অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় জেটির দক্ষিণ পার্শে ছোট্র জায়গা দিয়ে জাহাজ বেঁড়াতে হচ্ছে তাই পর্যটকদের উঠা নামা করতে
Sent-640x480Sent-640x480
একটু সময় লেগে যাচ্ছে । জেটির মেরামতের দ্রুত কাজ চলছে আশা করি সমস্যা হবেনা।
সেন্টমার্টিনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অদীনে ভেঙ্গে যাওয়া অংশ মেরামতের কাজ করছে বলে জানান সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। তিনি আরো বলেন, বড়-বড় কাঠ গাছ দিয়ে জেটির মেরামত করছে কিন্তু তা বেশী দিন টেকশয় হবে বলে মনে হচ্ছেনা। বঙ্গোপসাগরের বিসাল ডেউয়ের ধাক্কা এবং পর্যটকবাহী জাহাজের আঘাতে খুব দ্রুত ভেঙ্গে যেতে পারে এমনটায় বললেন তিনি।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন