স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী সামশুল আলম অপ্রতিরোধ্য

 

13140624_237169066638860_1211913318_n
বর্তমান পরিস্থিতিতে মরন নেশা ইয়াবা একটি ভয়াবহ মাদকে পরিণত হয়েছে। মরননেশা ইয়াবার বিষাক্ত ছোবলে দেশের যুব সমাজ আজ ক্ষতবিক্ষত। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়াসহ আজ পুরো দেশ ইয়াবার কালো থাবায় আক্রান্ত। যুবক-যুবতী,উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণী,এমনকি স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরাও ইয়াবার বিষাক্ত ছোবলে চুর্ণ বিচুর্ণ করে তুলেছে তাদের ভবিষ্যৎ জীবন। এই ভয়াবহ মরননেশা ইয়াবা আমদানী করা হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার থেকে। যেখানের মাদক চালানের নির্ভরযোগ্য রোড় হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফকে। টেকনাফের কিছু অসাধু ব্যক্তি,লোভী প্রকৃতির যুবক ও কিছু দূর্ধর্ষ মাদক সিন্ডকেট মারাত্নকভাবে জড়িয়ে পড়েছেন মরননেশা ইয়াবা পাচারে।এতে যেমন যুব ও ছাত্র সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি দিন দিন বেড়েই চলছে ইয়াবা সেবী মাদকআসক্ত ব্যক্তিদের তালিকা। এই ভয়াবহ মাদক ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন হাজার হাজার তরুণ। টেকনাফের এই ইয়াবা সিন্ডিকেটের অন্যতম একটি সিন্ডকেটের নাম হলো সামশুল আলমের নেতৃত্বাধীন সামসু সিন্ডিকেট। টেকনাফের মিঠাপানির ছডা এলাকার হাজী গোলাম হোসেনের পুত্র সামশুল সরাসরি মায়ানমার থেকে ইয়াবা আমদানি করে তা পুরো দেশে সহজেই চালান করতেছেন। তার নেতৃত্বাধীন ১০/১২জনের একটি সিন্ডিকেট প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন এই মহৎ কাজটি।

অনুসন্ধানে জানা যায়,এই সামশুল আলম বেশ কিছুদিন আগেও চায়ের দোকান করতেন এখন সে কোটি টাকার মালিক। রাতারাতি বনে গেছেন কোটিপতি। চায়ের দোকান করার সময় অতিরিক্ত লোভের তাড়নায় ভয়াবহ ভাবে জড়িয়ে পড়েন মরননেশা ইয়াবা পাচারের সাথে। ইয়াবা সাম্রাজ্যের পুরনো এই সম্রাট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত একজন দাগী অপরাধী। তার বিরুদ্বে বেশ কিছু মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ইয়াবা পাচার করে কোটি টাকা উপার্জন করে বেশ কিছু জায়গা সম্পত্তি কিনেছেন।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়,টেকনাফ উপজেলার পাশের এলাকায় কিনেছেন বেশ কিছু জায়গা,এছাড়া পল্লান পাড়া ও নোয়াখালী পাড়ায় কিনেছেন লাখ লাখ টাকার জমি। এছাড়া টেকনাফ সদরের আলো মার্কেট ও চট্রগ্রামে কিনেছেন বেশ কয়েকটি মার্কেটের দোকান সব মিলিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন অল্প দুই একবছরের ব্যবধানে। এ ছাড়া তার আরো রয়েছে নোহা,মাইক্রোবাস সহ বেশ কিছু মটর সাইকেল।

খবর নিয়ে আরো জানা যায়,তার ছোট ভাই নুর আলমকে দিয়ে ইয়াবা পাচারের সময় চট্রগ্রামে পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ধৃত হন। এছাড়া তার মাসহ তার বোন নিজ বাড়ী থেকে বেশ কিছু ইয়াবা সমেত ধৃত হন।

ইয়াবা সিন্ডিকেটের দাপটবান এই ইয়াবা ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ইয়াবার বাণিজ্য করে আসতেছেন অবলীলায়।কিন্তু দূর্ভাগ্যবঃশত বারবার পার পেয়ে যাচ্ছেন এই দূর্ধর্ষ এই ব্যবসায়ী।

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন