হ্নীলা ষ্টেশন ও গুরুত্বপুর্ণ সড়ক কাদায় একাকার

 

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ
টেকনাফের হ্নীলা স্টেশনে কাদায় একাকার হয়ে পড়েছে। হ্নীলা প্রধান স্টেশন, হ্নীলা-পানখালী সড়ক, হ্নীলা-পুরান বাজার সড়ক বর্তমানে কাদায় ভর্তি। দেখলে মনে হবে যেন এলাকায় কোন জনপ্রতিনিধি নেই, বাজার কমিটি নেই, প্রশাসন নেই, সাধারণ মানুষের দুর্বিসহ চরম ভোগান্তি দেখভাল-তদারকি করার কেউ নেই।
গত কয়েকদিন ধরে টেকনাফ উপজেলার সর্বত্র গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েছে। ৩ জানুয়ারী থেকে আর বৃষ্টি হয়নি। কিন্ত উক্ত গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতেই ব্যস্ততম হ্নীলা প্রধান স্টেশন, হ্নীলা-পানখালী সড়ক, হ্নীলা-পুরান বাজার সড়কের যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা লিখে শেষ করা যাবেনা। পায়ে হেঁটে চলাও দুষ্কর। বিশেষতঃ মহিলা, শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, স্কুল-মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের দুর্বিসহ চরম ভোগান্তি বর্ণণাতীত।
জানা যায়, বিভিন্ন দিক বিবেচনায় টেকনাফ উপজেলায় হ্নীলার অবস্থান শীর্ষে। আর এই হ্নীলার স্টেশন ও সড়কের বেহাল দৈন্যদশা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীণতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্টান জামিয়া দারুসসুন্নাহ, টেকনাফের সর্বপ্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান সাবেক এমপি একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব আবদুল গফুর চৌধুরী, তাঁর পুত্র সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সচিব এইচকে দেলোয়ার, বর্তমান চেয়ারম্যান এইচকে আনোয়ার সিআইপিসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেরা ব্যক্তিদের বাড়ি হ্নীলা পানখালী। (৪ জানুয়ারী সকালে তোলা অতি গুরুত্বপুর্ণ হ্নীলা পানখালী সড়কের আংশিক ছবি দেখুন)। তাছাড়া হ্নীলা হাসপাতাল, বন বিভাগের কার্যালয়, পানখালী সরকারী প্রাইমারী স্কুল, হ্নীলা-বাহারছড়া যাতায়তের সড়কও এটি।
হ্নীলা-পুরান বাজার সড়কের মধ্যে রয়েছে কয়েক শত বছরের পুরানো কাস্টমস অফিস, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অফিস, ডাকঘর, বিজিবি ক্যাম্প, হাইস্কুল, প্রাইমারী স্কুল, শাহ মজিদিয়া ইসলামিয়া আলীম মাদ্রাসা, ভুমি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ, গুলফরাজ-হাশেম ফাউন্ডেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস এবং বিলুপ্তপ্রায় স্বনামধন্য হ্নীলা বাজার।
বৃহষ্পতিবার ৪ জানুয়ারী সকালে সরেজমিন পরিদর্শনকালে কাদায় একাকার এসব অতি গুরুত্বপুর্ণ জনবহুল ও ব্যস্ততম সড়কে সর্বস্তরের মানুষ এমনকি পশুদেরও চরম ভোগান্তি দেখা গেছে। সড়কের উভয় পাশে নালা আছে ঠিকই, কিন্ত তা ময়লা-আবর্জনায় ভর্তি। বেশীর ভাগ অংশের নালা ভেঙ্গে গেছে। দু’পাশের বাসিন্দাগণ ময়লা-আবর্জনা ফেলে নালা ভরাট ছাড়াও অনেকে বাথরুম-লেট্রিনের পাইপ রাস্তার দিকে দিয়েছে। দুর্গন্ধে ব্যস্ততম সড়কে চলাচল কর দায় হয়ে পড়ে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান এইচকে আনোয়ার সিআইপি বলেন ‘বহুবার বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে চলাচলের সড়কের উপর এ অনাচার বন্দ হয়নি। শীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ##

 
 
 

0 মতামত

আপনিই প্রথম এখানে মতামত দিতে পারেন.

 
 

আপনার মতামত দিন