অসহায় হাসিনা আক্তারের অর্তি, অভিযুক্তরা কি? এভাবে পার পেয়ে যাবে ?


বিশেষ প্রতিবেদক ()
স্বামী পরিতাক্ততা ২ সন্তানের জননী অসহায় হাসিনা আক্তারের আর্তি কে শুনে। একের পর এক নারী নির্য়াতন মামলা করেও পার পেয়ে যাচ্ছে আসামীরা। আইনের কাছে আশ্রয় নেয়ার পরও নির্যাতিত হাসিনা আক্তার শুধু বিচারের কাল ক্ষেপনের শিকার হচ্ছে মাত্র। পাশবিক নির্যাতনের বিচারের আশায় সে এখন প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। নির্যাতনকারীরা কালোটাকা ও অর্থ সম্পদের মালিক বিধায় অসহায় হাসিনা আক্তারের এটি তার জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে। চলছে দুর্বলের উপর স্ববলের অত্যচার। স্থানীয় গ্রাম্য আদালতে বিচার না পেয়ে হাসিনা আক্তার ২০১৭ ও ১৮ সালে আদালতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একাদিক নারী নির্যাতন মামলা করে এবং এ মামলা চলমান থাকলেও এর কোন অগ্রগতি নেই। এ সুযোগে প্রতিপক্ষ প্রভাবশালীরা এলাকায় একের পর এক ঘটনা করেই যাচ্ছে। আর অসহায় হাসিনা আক্তার থানা ও আদালতে মামলার বাদী হয়ে ন্যায় বিচারের আশায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছে। কে এই নির্যাতনকারী? সাবরাং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বেইঙ্গা পাড়ার মোঃ ইসহাকের সাথে হাসিনার বিয়ে হয়। এতে ২ সন্তান পৃথীবিতে আসে। পরবর্তীতে একই এলাকার পদ্মা বানু নামে এক নারীর প্রেমে পড়ে ইসহাক। অবশেষে ১ম স্ত্রী হাসিনা আক্তার তালাক প্রাপ্ত হন। ২য় সন্তান ফয়সাল ও সাদিয়া আক্তারকে নিয়ে মাঝি ছাড়া জীবন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন, অসহায় হাসিনা আক্তার। এমতাবস্থায় ২ সন্তান নিয়ে সে মানবেতর জীবন যাপন করছে। একই এলাকার মৃত লাল মিয়ার পুত্র মোঃ ইসহাক এ ২ অবুঝ সন্তানকে ফেলে প্রেমের ফাঁদে পড়ে প্রথম স্ত্রী হাসিনা আক্তারকে তালাক দিয়ে ২য় স্ত্রীর ২ সন্তানের জননী পদ্মাবানুকে বিয়ে করে এবং এ নিয়ে চলে উভয়ের মধ্যে অধিকার আদায়ের লড়াই। প্রথম স্ত্রী হাসিনা আক্তারের ২ সন্তান পৈত্রিক পরিচয়হীন এবং ওরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। হাসিনা আক্তারের অভিযোগ সাবেক স্বামী মোঃ ইসহাক অর্থ ও সম্পদের মালিক। তার সম্পদ থেকে বঞ্চিত করতে ২য় স্ত্রী পদ্মাবানুর কারসাজি ও চক্রান্ত। এ উদ্দেশ্যে ১ম স্ত্রী হাসিনা আক্তারকে একের পর এক মিথ্যার বেশাতী এবং মানষিক হয়রানী এবং সামাজিকভাবে হৈয় পতিপন্ন করছে। স্থানীয়দের মতে হাসিনা আক্তারের সাবেক স্বামী মোঃ ইসহাকের সহায় সম্পত্তি থেকে সন্তানদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ চলনাময়ি নির্যাতন। শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন সহ্ন্য করতে না পেরে হাসিনা আক্তার এর প্রতিকার চেয়ে অতীতে থানা ও আদালতে অভিযোগ ও মামলা করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা। উল্লেখ্য গত ৯ মার্চ মোঃ ইসহাকের সাবেক স্ত্রী হাসিনা আক্তারের পুত্র ফয়সাল নিখোজ সন্ধানে এবং পূর্বশক্রতার জের ধরে সাবরাং বেইঙ্গা পাড়ায় স্থানীয় দুবৃত্তের হাতে চার নারী আক্রান্ত হয়েছিল। হাসিনা আক্তার এ প্রতিকার চেয়ে নিজে বাদী হয়ে মোঃ ইসহাককে প্রধান আসামী করে ৯ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগটি মামলায় পরিনত করার জন্য টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ও’সি) প্রদীপ কুমার দাশ মৌখিকভাবে ও’সি তদন্তকে নিদের্শ প্রদান করলেও এ পর্যন্ত অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে নোটিশ এবং আইন প্রয়োগ করা হয়নি। অথচঃ অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে এবং মাদকের কালোটাকার প্রভাবে ওরা এভাবে পার পেয়ে যাচ্ছে। চলবে……

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।