চট্টগ্রাম বিভাগের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নতুন তালিকা তৈরী হচ্ছে

DSC02ffsdf566
‘ব্যাপক অভিযান চালিয়েও মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না। তাই আমরা এখন অভিযান চালানোর পাশাপাশি মাদকের ভোক্তা কমানোর ওপর বিশেষভাবে নজর দিয়েছি। সচেতনতা সৃষ্টিতে যা যা করতে হয় আমরা করে যাচ্ছি। একদিকে মাদক চোরাচালানিদের ধরতে অভিযান চলবে, অন্যদিকে মাদকাসক্তদের সংখ্যা কমানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে।’ মাদকের বিস্তার রোধে নতুন এই পরিকল্পনার কথা জানালেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান। মাদকের মধ্যে ইয়াবাই এখন যুবসমাজকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে জানান তিনি।
মো. ফজলুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়ে মো. ফজলুর রহমান বলেন, ইয়াবা চোরাচালানকারী এবং এদের অর্থদাতাদের নতুন তালিকা করা হচ্ছে।’ তালিকা অনুযায়ী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। যত বড় ক্ষমতাধর হোক না কেন মাদকের সাথে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদকের বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইন সংশোধনের কয়েকটি সুপারিশ ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানান অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক। মাদক চোরাচালান রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সাথে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ অস্বীকার করে মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের আন্তঃসম্পর্ক খুবই ভালো এবং আমরা অন্যান্য দফতরগুলো থেকে চাহিদা মোতাবেক সহযোগিতা পাই।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।