চাকরিতে স্থানীয়করণের বিষয়টি আমলে নিয়েছে এনজিওগুলো

কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) এর কো-চেয়ার ও কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, অবশেষে  স্থানীয়করণের বিষয়টি জাতিসংঘ ও আইএনজিওগুলো আমলে নিয়েছে। বিশ্বব্যাপী স্থানীয়করণের উপর ফ্রেমওয়ার্ক হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্থানীয়করণ হলে স্থানীয় সিভিল সোসাইটি এনজিও গুলোর কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয় সিভিল সেসাইটি এনজিও গুলোকে সুশাসন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।স্থানীয়করণের উপর টাস্ক ফোর্স গঠনের উদ্যেগ গ্রহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয় এনজিও হতে দুইজন প্রতিনিধি থাকবেন। সিসিএনএফ এবং এনজিও ফ্লাটফরম এর সিদ্ধান্তে দুইজন প্রতিনিধি ঠিক করা হবে।

১৭ এপ্রিল বিকালে বাজারঘাটাস্থ পালস সাব অফিসে কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) এর মাসিক সভায় রেজাউল করিম চৌধুরী কথাগুলো বলেছেন। তিনি বলেন, আগামী ৬ জুলাই ২০১৯ খ্রি: ঢাকায় স্থানীয়করণের উপর একটি সম্মেলন হবে যেখানে স্থানীয় এনজিও গুলো অংশগ্রহন করবে।

সভাপতির বক্তব্যে পালস এর প্রধান নির্বাহী এবং সিসিএনএফ এর কো-চেয়ার আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আগমনের পর থেকে সিসিএনএফ স্থানীয়করণ, চার্টার ফর চেঞ্জ, গ্রান্ড বার্গেইন নিয়ে অনবরত আলোচনা করে যাচ্ছে সংশ্লিষ্টদের সাথে এবং অবশেষে স্থানীয়করণ আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

বক্তৃতা করেন এনজিও ফ্লাট ফরমের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর মুনমুন গোলশান। সভায় ২১ টি স্থানীয় এনজিও এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
সিসিএনএফ এর এই সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো একটি রিসোর্সফুল গঠন করা, রিফোজি রাইটস এবং এডভোকেসি এর উপর ফোরামের সদস্যদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান, ৪ মে জব ফেয়ারে অংশগ্রহন করা, এবং প্রতিমাসে ছবিসহ প্রতিবেদন প্রেরণ ইত্যাদি।

সভায় মুক্তির নির্বাহী পরিচালক বিমল চন্দ্র দে-কে সিসিএনএ এর কো-চেয়ার করার বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহন করা হয়। পূর্বের জন সময় দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ