জোয়ারের পানিতে শতাধিক বসত বাড়ি প্লাবিত , বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট

Moheshkhalirrr-Pic-14-7-14এম বশির উল্লাহ: মহেশখালী প্রতিনিধি:

বঙ্গপোসাগরের সৃষ্ট লঘু চাপের প্রভাবে প্রবল জোয়ারের পানিতে মহেশখালীর শতাধিক বসত বাড়ি প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার নি¤œ অঞ্চল হিসাবে পরিচিত কুতুবজুমের ঘটিভাঙ্গা,সোনাদিয়ার পশ্চিম পাড়া, পৌর এলাকার চরপাড়া,শাপলাপুরের জেমঘাট, ছোট মহেশখালীর আহমদিয়া কাটা ও মুদির ছড়া , ধলঘাটা এলাকার বেশ কিছু বসত বাড়ি প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান। গত কাল রাতে হঠাৎ করে সাগরের পানি বেড়ে যাওয়ার কারনে প্রবল জোয়ারের পানিতে উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে প্রায় শতাধিক বসত বাড়ি প্লাবিত হয়েছে। সোনাদিয়ার প্লাবিত হওয়ার বাসিন্দা খুব কষ্টে দিন যাপন করছে বলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধি আব্দুল গফুর বলেন, জোয়ারের পানিতে তাদের শেষ সম্বল টুকু হারিয়ে নিস্ব: হয়ে গেছে। পশ্চিম পাড়া পুরো এলাকার একটি টিউবওয়েল নেই শভডবিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকঠ দেখা দিয়েছে। আজ সকাল সাড়ে ১২ টা থেকে শুরু হওয়া প্রবল জোয়ারের পানিতে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে বেশ কিছু বসত বাড়ি প্লাবিত হয়েছে। কুতুবজুমের ঘটিভা্গংা, সোনাদিয়ার পশ্চিম পাড়া,পৌরসভার চরপাড়া, ছোট মহেশখালীর তেলী পাড়া,শাপলাপুরের জেমঘাট, ছোট মহেশখালীর আহমদিয়া কাটা, ধলঘাটার উত্তর মহুরি ঘোনা, ষাইটমারার ডেইলসহ নি¤œ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
একাবারে বসত বাড়ি প্লাবিত হওয়ার লোকজনের তালিকা দেওয়া হল। নাজির হোসেন, রহিম,সরওয়ার,ইসহাক, আবু বক্কর, আব্দুল মজিদ, আকানি, মোস্তাক, খনজন আরা, ওয়াজ আরা, রোজিয়া, জন্নাত আরা, হাকিম আলী, আনছারুল করিম, আনোয়ারা বেগম, আমান উল্লাহ, মালেক, একরাম সহ শতাধিক বসত বাড়ির প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ গৃহ হারিয়েছে।
মহেশখালীর বাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ছিল চর্তুর পাশে একটি টেকসই বেড়িবাধ দিয়ে প্রাকৃতিক দূযোগ থেকে সাধারন মানুষকে রক্ষা করবে সরকার। কিন্তু নেতা আসে নেতা যায় সাধারন মানুষের খবর কেউ নেই না বললেই চলে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ারুল নাসের বলেন, মহেশখালী একটি দ্বীপ উপজেলা চতুর পার্শ্বে বেড়িবাধ না থাকার ফলে বার বার জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। ইতোমধ্যে এই সব এলাকার মানুষদের খোজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।