টেকনাফের শীর্ষ ইয়াবা কারবারী ছৈয়দ আলম কক্সবাজারে


কক্সবাজারের টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপ এলাকার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী ও মানবপাচারকারী ছৈয়দ আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকালে কক্সবাজার জেলা কারাগার এলাকা থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ধৃত ছৈয়দ আলম সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এলাকার
মৃত নজির আহমদের ছেলে এবং ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক কারান্তরিন ইসমাঈল মেম্বারের ভাই বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, বুধবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার একদল পুলিশ জেলা কারাগার এলাকায় অভিযান চালান। এসময় গ্রেফতার করা হয় শাহপরীর দ্বীপ এলাকার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী ও মানবপাচারকারী ছৈয়দ আলমকে।
কক্সবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্ এ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মো. মাইন উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃত ছৈয়দ আলম শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলীয় এলাকা সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ থেকে ভয়াবহ ভাবে ইয়াবা ও মানব পাচার করে আসছিল একাধিক সিন্ডিকেট। ভয়ঙ্কর মাদক ইয়াবা সরবরাহ ও মানবপাচারে জড়িতরা দীর্ঘদিন ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মানব পাচার ও ইয়াবা ব্যবসার নিয়ন্ত্রক একই সিন্ডিকেট। নেপথ্যের অন্যতম হোতারাও থেকেছে প্রশাসনের আড়ালে।
মিয়ানমার থেকে নদীপথে ইয়াবার চালান যারা আনছেন, তারাই মানব পাচারের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, কতিপয় জনপ্রতিনিধি, মোড়ল শ্রেণির লোকজনসহ বেকার যুবক এমনকি মহিলারাও জড়িত এই সিন্ডিকেটে। চুনোপুঁটি ধরা পড়লেও রাঘববোয়ালরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে হয়ে উঠেছেন আরও বেপরোয়া।
সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইয়াবা ও মানব পাচারকারীদের আলাদা তালিকা করেন। এই তালিকায় বিএনপি নেতা শাহপরীর দ্বীপের ইসমাঈল মেম্বার ও তার ভাই ছৈয়দ আলমসহ অসংখ্য ব্যক্তি নাম রয়েছে।
প্রসংগত- টেকনাফের শাহপর দ্বীপ বিএনপির সাংগঠনিক শাখার সভাপতি ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ ইসমাইল (৪৩) কে ২৩ ডিসেম্বর গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে একটি বন্দুক ও ২ হাজার পিস ইয়াবা যায়। বর্তমানে ইসমাঈল মেম্বার কারান্তীন হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।