টেকনাফে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ঝিমিয়ে পড়ায়, ফের ইয়াবা ব্যবসা চাঙ্গা

teknafnews71.com -pic (6)
মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী
টেকনাফ আইন শৃংখলা বাহিনীর অভিযান ঝিমিয়ে পড়ার কারণে প্রশাসনের প্রান কেন্দ্র টেকনাফ পৌর এলাকার চিহ্নিত ওয়ার্ড ইয়াবা ব্যবসা ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এলাকার প্রকাশ্যে এবং আইনের ফাকফোকর দিযে জামিনে চলে আসার প্রেক্ষিতে ইয়াবা ব্যবসা এখন বৈধতার স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক দলের নেতা এবং পাতিনেতার ছত্রছায়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে এখন পুরোদমে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পৌরসভা, ইউপি নির্বাচন এবং পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আরো পেপরওয়া হয়ে ইয়াবার পেছনে পাগলার ঘোড়ার মত দৌড়ছে। টেকনাফ পৌরসভার যে কটি ওয়ার্ড ইয়াবা ব্যবসার জন্য খ্যাত এবং জনশ্র“ত তাদের মধ্যে নাইট্যং পাড়া পুরাতন পল্লান পাড়া, কুলাল পাড়া, দক্ষিণ জালিয়া পাড়া, শীলবনিয়া পাড়া ও কলেজ পাড়া। এসব পাড়ায় এখন ইয়াবা ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে। যাহা অতীতকে পর্যন্ত হার মানিয়েছে। এখানে অবাধে মোটর সাইকেল যাতায়ত এবং অচেনা অজানা মানুষের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ঝিমিয়ে পড়ায় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আটক না করার কারণে ইয়াবা ব্যবসা ক্রমশঃ বিস্তার লাভ করছে। বিশেষ করে অতিরিক্ত বিজিবি এবং পুলিশ বদলী এবং তাদের স্থলে নতুন বিজিবি ও পুলিশ যোগদানকে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এ সুযোগকে হাতে নিয়েছে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক মানব পাচারকারী এবং মালিকাবিহীন ইয়াবার চালান আটক হলেও রহস্যজনক কারণে ইয়াবা গডফাদার ও ব্যবসায়ীরা ধরা পড়েনা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও পুলিশ বলেছে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
টেকনাফ পৌর এলাকার চিহ্নিত ওয়ার্ডের ইয়াবা ব্যবাস করে অনেকেই রাতারাতী কালো টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন এসব টাকা সাদা করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে রেখেছে। কোন ধরনের আয়ের উৎস এবং প্রতিষ্ঠান নেই তার পরও সে কয়েক কোটি টাকার মালিক। দুর্নীতি দমন বিভাগ এ ব্যাপারে বেখবর। আয়কর প্রতিষ্ঠানে ওরা কর দেখিয়ে কালো টাকা সাদা করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। অনেকেই জিরো থেকে হঠাৎ অর্থের হিরো বনে গেছেন। এ নিয়ে নারী-নির্যাতন, একাদিক বিবাহ, তালাক প্রবনতা আশংখাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা নারীর কারণে সোনার সংসার ভেঙ্গে যাচেছ অনেকের।####

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।