টেকনাফে ইউএনও’র উদ্যোগে বদলে গেল ‘চৌকিদার পাড়া

ইউএনও’র উদ্যোগে বদলে গেল ‘চৌকিদার পাড়া

‘ওরা রঙিন ঘরে সুখের বাস’

টেকনাফ শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে চৌকিদার পাড়া গ্রামটি পড়েছে বাহারছড়া ইউনিয়নে। মেরিন ড্রাইভের ঘেঁষা এই গ্রামে জীর্ণশীর্ণ ঘরে বাস করা ৪০টি পরিবার নানা দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছিল। ছনের চাল লাগানো মাটির দেয়ালের অথবা বাঁশ-চাটাইয়ের বেড়ার ঘরে মানবেতরভাবে বাস করছিল তারা, যে ঘরগুলো আবার অনেকটাই ভাঙাচোরা হয়ে পড়েছিল। সামান্য বৃষ্টিতে ঘর-বাড়িতে পানি জমে যেত। শীতের রাতে বাঁশের ঘরের ভাঙা বেড়ার ফাঁক দিয়ে কনকনে ঠান্ডা বাতাস ঢুকে জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছিল। এখন তাদের ঠাঁই হয়েছে ‘রঙিন ঘরে’, কেটে গেছে দূর-অবস্থা। এক সময় সারিবদ্ধ ভাঙাচোরা ঘর যেখানে দাড়িয়েছিল, এখন সেখানে নারিকেল গাছের ছায়ার নিচে সারিবদ্ধভাবে গড়ে উঠেছে ‘রঙিন ঘর’। সম্প্রতি সময়ে প্রধানমন্ত্রী উপহারের ঘর দেখবালের সময়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী চৌকিদার পাড়া পরির্দশনকালে অসহায় ওইসব সাধারন লোকজনের দূর-অবস্থা দেখার পর তাদের দূর-অবস্থা বদলে দেওয়া উদ্যোগ নেয়। তাঁর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি সহতায়এখন চৌকিদার পাড়া বদলে ‘রঙিন চৌকি পাড়া’ নামে পরিচিত। সেখানে ২৭টি পরিবার ‘রঙিন ঘর’ পেয়েছেন। যারা প্রতিদিনের সামান্য আয় দিয়ে জীবন চালানো, মানুষগুলোর পক্ষে নতুন ঘর বানানোও ছিল অনেকটাই স্বপ্নের মতো। অসহায় এসব পরিবারের মানুষগুলোর ঘরের স্বপ্ন, বাস্তবে রুপ দিলেন ইউএনও পারভেজ চৌধুরী।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ