টেকনাফে এনজিও সুশীলনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ


মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী
বৈশ্বিক করোনা কোভিড-১৯ উপলক্ষে টেকনাফে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্রদের একটি তালিকা তৈরী করে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ কর্তৃক এনজিও সংস্থা সুশীলনকে দেয়া হয়। এই তালিকায় টেকনাফে কর্মরত ৮১ সাংবাদকর্মীর নামও ছিল।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর অর্থায়নে বাস্তবায়িত সুশীলন এনজিও বিরুদ্ধে নগদ অর্থ বিতরণ অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, জালিয়তি ও প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়- এনজিও সংস্থা “সুশীলন” বৈশ্বিক করোনা কোভিড-১৯ উপক্ষে হতদরিদ্র পরিবার এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানে প্রতিজনকে ২ হাজার ৫’শ টাকা প্রদানে তালিকা তৈরী করে এবং ঐ তালিকায় ৮১ জন ক্ষতিগ্রস্থ সংবাদকর্মীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় চূড়ান্ত হয়। তালিকানুযায়ী ৮১ জন সংবাদকর্মীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৫১ জনের মধ্যে অর্থ সহায়তা করা হলেও বাকিদের প্রদত্ত ঐ তালিকা থেকে বাদ দেয়। যার জন্য সংবাদকর্মীরা ক্ষুদ্ধ। ৮১ জন সংবাদকর্মীদের নামের তালিকা নেওয়ার পরও কেন? বাকি ৩০ জন সংবাদকর্মী বঞ্চিত হলো এনিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নগদ অর্থ বিতরণ সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধান করে জানা যায়। বিদেশী সাহায্য সংস্থা “সুশীলন” যে সব পরিবার এবং সংবাদকর্মীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদানকালে উপকারভোগীদের এবং গ্রহণকালে স্বাক্ষর এবং টিপ ছাড়াই শুধুমাত্র নামের পাশ্বে ঠিকচিহ্ন ও মোবাইল ছবি তোলার মধ্য দিয়ে এ অর্থ প্রদান ছাড় করা হয়েছে।
যা অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণা ও লোক দেখানো ধাঁ ধাঁ মাত্র।
এনজিও সুশীলন স্থানীয় উপকারভোগীদের অর্থ সহায়তা প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- স্থানীয় উপকারভোগী এবং সংবাদকর্মীদের মূখ বন্ধ করে রাখা। এ প্রসঙ্গে সুশীলন ইএফএসএন প্রকল্পের টেকনাফ ইনচার্জ রবিউল ইসলাম বলেন, তালিকা কিন্তু সঠিক, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে কাটসিট করে তালিকা প্রনয়ণ করা হয়েছে। বাকী অর্থ ফেরত চলে গেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। প্রদত্ত বক্তব্যের একাংশ নিয়ে সন্দেহভাজন সৃষ্টি হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ