টেকনাফে চাষীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিতঃ দালালের কাছেও জিম্মি

টেকনাফে লবণ উৎপাদনে মহাধুম
চাষীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিতঃ দালালের কাছেও জিম্মি
মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী ()
২০১৮-২০১৯ চলতি অর্থবছর ১৮ লাখ লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে ৩১৭৮ হেক্টর জমিতে ৯২০ জন চাষী সম্পূর্ণ আধুনিক পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনে নেমেছে। টেকনাফ বিসিক লবণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান এ প্রতিনিধিকে জানান, টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর, সাবরাং ও শাহপরীরদ্বীপসহ নাফ নদীর তীরে এ চার ইউনিয়নের ৩১৭৮ হেক্টর জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শুরু হয়েছে ২০১৭-২০১৮ গেল অর্থবছরে ৭৪ হাজার মেট্টিক টন লবণ উৎপাদিত হয়। চলতি অর্থবছর সংশ্লিষ্টরা জানায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লবণ উৎপাদন ছাড়িয়ে যাবে। এমন আশংখা করছেন কৃষকরা। কৃষকেরা বুকভরা আশা নিয়ে মাথারগাম পায়ে পেলে অধিকমূল্যের আশায় লবণ উৎপাদনে নেমেছে। লবণ উৎপাদনের শুরুতেই লবণের ধরপতন ঘটেছে। ফলে কৃষক কূলের মধ্যে মনোবল ভেঙ্গে পড়ায় তাদের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা স্লান হতে বসেছে। কৃষকের ভাষ্যমতে লবণ উৎপাদনকারীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে মধ্যস্থাকারীরা বেশী সুবিধা হাসিল করছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালী এবং কক্সবাজার জেলার সমূদ্র নাফ নদীর বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা এখন লবণ উৎপাদনের ভরামৌসূম। এ ২টি জেলার উৎপাদিত লবণ গোটা দেশের চাহিদা মেটায়। লবণ উৎপাদনের শুরুতেই লবণের ধরপতন শুরু হয়। এতে চাষীকূল হতাশায় পড়ে। এসময় ভারত থেকে লবণ আমদানির পায়তারা ও চলে। অভিযোগ উঠেছে, লবণ চাষীরা মিলমালিক ও দালালের কাছে জিম্মি। চাষীরা বলেন, লবণের মূল্য হ্রাসের পাশাপাশি লবণ উৎপাদনের উপকরণের দাম ও বেশী। চাষীরা যে আশা আকাংখা নিয়ে লবণ উৎপাদনে নামে এবং মাথার ঘাম পায়ে পেলে, সে তুলনায় চাষীরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেনা। মধ্যস্থভোগীরা এ ক্ষেত্রে বেশী লাভবান হচ্ছে। বাজারে খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি লবন বিক্রি করছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। অথচঃ লবণ উৎপাদন মাঠে লবণ বিক্রি হচ্ছে, প্রতিমন ২৫০ টাকা। এ ক্ষেত্রে চাষীরা সঠিক ন্যায়্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দালাল ও লবণ গোদাম মওজুদকারীরা লবণ চাষীদের জিম্মি করে রেখেছে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ