টেকনাফে তীব্র তাপদাহের কবলে পড়ে মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত


অতিরিক্ত গরমের কারণে টেকনাফে ভাইরাস জ¦রে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ভিড়ে সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালে তিল ধরণের ঠাঁই নেই।
হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারেরা জানান, ভাইরাসের পাশাপাশি ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। অতিরিক্ত তাপদাহ এবং পরিবর্তনশীল জলবায়ুর প্রভাবে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এ বছর ভাইরাস জ¦রে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশীর ভাগ মানুষ। শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্ক পর্যন্ত ভাইরাস জ¦রে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। ভাইরাসের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্কুল গুলোতে ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতিতে প্রভাব পড়েছে। হাসাপাতালের চিকিৎসকগণও ভাইরাস থেকে রেহাই পাচ্ছেননা। সময়মত বিশ্রাম, স্বাস্থ-পুষ্টিকর খাবার ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তীব্র এই গরমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই বলে জানান চিকিৎসকরা।
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ ডা: শংকর চন্দ্র দেবনাথ এবং স্যাকমো আলহাজ¦ ডাঃ আজাদ মোহাম্মদ নুরুল হোছাইন জানান, ‘রোগী দেখতে দেখতে আমরা নিজেরাও গত তিন দিন ধরে ভাইরাস জ¦র এবং প্রচন্ড মাথা ব্যাথায় ভুগছি। মাত্রাতিরিক্ত গরমে চলাচল করাই মুশকিল হয়ে পড়েছে। রমযান মাস এবং তীব্র তাপদাহের কবলে পড়ে মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন’। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সুমন বড়–য়া জানান, ‘গত সপ্তাহ থেকে টেকনাফে ভাইরাস রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তন, প্রচন্ড গরম এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে ভাইরাস জ¦রের পাশাপাশি পাতলা পায়খানা ও বমি করছেন আক্রান্ত রোগীরা। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থকর খাবার পরিবেশন এবং ঠিকমত বিশ্রাম নিলেই ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠবেন। হাসপাতালে আগত রোগীদের যথাসাধ্য চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে’। ##

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ