টেকনাফে নাইট্যংপাড়ার কথিত হামিদের রামরাজত্ব

রিপোটার,টেকনাফ
টেকনাফ পৌর এলাকার নাইট্যং পাড়ার সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু মাদক নিয়ন্ত্রনকারী ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে কথিত হামিদগং এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এমতাবস্থায় নাইট্যং পাড়ার জনগণ হামিদ বাহিনীর প্রধান হামিদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। সে আইন শৃাংখলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে এলাকায় কালোটাকার প্রভাবে চলছে তার আধিপাত্য। কথিত হামিদ বাহিনীর প্রধান হামিদের এখন রামরাজত্ব চলছে এলাকায়। তার অত্যচার ও নির্যাতনে এলাকাবাসী রীতিমতো অতিষ্ঠ ও ভীতির মধ্যে বসবাস করছে। একমাত্র তারই কারণে পুরো নাইট্যং পাড়ার শান্তি শৃংখলা বিঘœসহ এবং আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটছে। এলাকায় হামিদ বাহিনীর আধিপাত্য বিস্তার এবং উত্তান নিয়ে নানাজনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ প্রতিবেদন। কে এই হামিদ, হঠাৎ তার উত্তান ও আধিপাত্য এবং কে তার অপকর্মের হোতা। নেপথ্যেতার ক্ষমতার উৎসদাতা কে? আজ এসব প্রশ্ন ভূক্তভোগীদের। অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত হামিদ আইন শৃংখলা বাহিনীর একমাত্র সোর্স পরিচয় দিয়ে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীর কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কালোটাকা। এলাকায় মাদক ব্যবসা করতে হলে এই হামিদ বাহিনীর প্রধান হামিদকে ম্যানেজ করতে হয়। নইলে কালোব্যবসা করা যাবেনা মর্মে এই হামিদ বাহিনীর রামরাজত্ব চলছে নাইট্যং পাড়া এলাকায়। এছাড়া এ বাহিনীর প্রধান হামিদের বিরুদ্ধে যে সব গুরুতর অভিযোগ এলাকায় উঠেছে, বনভূমি দখল বাণিজ্য, চাঁদাবাজী, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রশ্রয়, আদম বাণিজ্য নিরীহ লোকদের জায়গা জবরদখল মাদক বাণিজ্য, অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শন ও রোহিঙ্গা সুন্দরী রমনী পাচার ছাড়াও সে স্থানীয় আইন শৃংখলা বাহিনীর নাম ভাংগিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজী করে আসছে। এ ক্ষমতার বলে কথিত হামিদ এলাকায় এখন বেপরওয়া। তার অত্যচার ও নির্যাতনে এলাকাবাসী রীতিমতো এক অতিষ্টের মধ্যে ভোগছেন। এদিকে গত ২ জুলাই বিকালে নাইট্যং পাড়ায় জায়গা জমি জবরদখল করার উদ্দেশ্যে হামিদ বাহিনীর প্রধান হামিদসহ প্রতিবেশী বাড়ীতে হামলা চালিয়ে বাড়ীর আসভাবপত্র, দরজা, জানালা ভাংচুরসহ ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এমনকি ঘটনা চালিয়ে যাবার পর ওরা বলেন, থানায় মামলা করলে প্রাণ নাশের হুমকি ধমকি দিয়ে চলে যান। পরে প্রতিবেশী জেসমিন আক্তার এর প্রতিকার চেয়ে ঘটনার পরদিন তিনি নিজে বাদী হয়ে মৃত হাবিবুর রহমানের পুত্র মোঃ হামিদ (৩২) কে প্রধান আসামী করে ২জনসহ অজ্ঞতানামকে আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন বিক্রিত জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিবেশীর সাথে বিরোধ চলে আসছিল। অভিযুক্ত মোঃ হামিদ প্রতিবেশী আব্দু রহমানের স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে ৩.৩৪ শতক বা ১০ কড়া বসত ভিটা জমি নগদে ৬ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে। যার একশত টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প নং- ৬৬৮৮৮২০। এ ১০ কড়া বসত ভিটার জায়গা বিক্রেতা হামিদ হোসেনের স্ত্রী লায়লা বেগম এবং গ্রহীতা প্রতিবেশী জেসমিন আক্তারের স্বামী আব্দুল রহমান। বসত ভিটার জায়গা বিক্রিকালে ষ্ট্যাম্প স্থানীয় কাউন্সিলার শাহ আলমসহ কয়েকজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষর থাকলেও জায়গা বিক্রেতা লায়লা বেগম ও তার স্বামী হামিদ হোসেনসহ অনেকেই বিক্রিত জমি জবরদখল করে রাখে। জমি মেপে আজ দেব কাল দেব মর্মে জমি গ্রহিতা আব্দুর রহমানকে কালক্ষেপন ও প্রতারণা করতে থাকে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে এ জায়গা দখল নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ভবিষ্যতে প্রাণ ঘাতির আশংখা করছেন অনেকেই। চলবেই………

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।