টেকনাফে পুলিশের ‘বন্দুক যুদ্ধে’ শীর্ষ ইয়াবা ওহুন্ডি ব্যবসায়ী ইসমাইল চিকিৎসাধীন: ৩ সহযোগীদের শ্রীঘরে প্রেরণ: ৩টি পৃথক মামলা দায়ের

4243423
একাত্তর ডেস্ক []
টেকনাফে পুলিশের ‘বন্দুক যুদ্ধে’ শীর্ষ ইয়াবা ওহুন্ডি ব্যবসায়ী ইসমাইল চিকিৎসাধীন রয়েছে, অপর ৩ সহযোগীদের শ্রীঘরে প্রেরণ করেছে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ।
অবশ্য,টেকনাফে পুলিশ-শীর্ষ ইয়াবা ব্যাবসায়ীর সঙ্গে ‘বন্দুক যুদ্ধে’ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ চার জনকে আটক করা হয়। এসময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে তিন হাজার ইয়াবা একটি এলজি বন্দুক ও দুই রাউন্ড কার্তুজসহ একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
১৬ সেপ্টম্বর মঙ্গলবার ভোরে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের হোয়াইক্যং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশের ২ কনস্টেবলও সামান্য আহত হয়েছেন।

পুলিশ সুত্রে জানায়, মঙ্গলবার ভোরে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাড়ির আইসি এসএই মাসরুল হকের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ টেকনাফ থেকে ইয়াবা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং অভিযান গেলে পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে শীর্ষ ইয়াবা ব্যাবসায়ীরা পুলিশের উপর লক্ষ্য করলে পুলিশও আতœ রক্ষাত্বে পুলিশও গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায়য় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইসমাইলকে আটক করা হয়। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ইসমাইল টেকনাফ পৌর এলাকার লামারবাজার এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে। এসময় আহত অবস্থায় আটক অপর তিন পাচার কারী হল, চট্রগ্রামের সাহেদ হোসেন, টেকনাফ পৌর এলাকার কুলাল পাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আকতার ও চকরিয়া হারবাং এলাকার মো. মহিউদ্দিন। আহত পুলিশের দুই কনস্টেবল হল বেলাল উদ্দিন ও আজিজুল ইসলাম। এদের টেকনাফ হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোক্তার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শীর্ষ ইয়াবাসহ চার জনকে আটক করা হয়েছে। তবে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় অস্ত্র, মাদক ও পুলিশের উপর হামলার পৃথক তিন টি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।