টেকনাফে ফের হামিদ বাহিনীর হামলায় আরেক নারী আক্রান্ত

বিশেষ প্রতিবেদক :
একের পর এক হামলা, মামলা করেও পার পেয়ে যাচ্ছে, নাইট্যং পাড়ার অপরাধ জগতের হোতা হামিদ বাহিনীর প্রধান হামিদ। তার খুটীর জোর নাকি অনেক শক্ত। সে আইন শৃংখলা বাহিনীর নাম ভাংগিয়ে এলাকায় রামরাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীরা পর্যন্ত তার অপকর্মের ব্যাপারে নিশ্চুপ। মাদক, ইয়াবা, স্বর্ণ চোরাচালানের কালোটাকার প্রভাবে সে ধরাকে স্বরাজ্ঞান মনে করছে। উক্তর নাইট্যংপাড়া বরপকল সংলগ্ন এরাকায় তার বসবাস। এ গোপন আস্থানা দিয়ে চলে তার মাদক চোরাচালান বাণিজ্য ও নানা অপকর্ম। তার নেতৃত্বে ৮ থেকে ৯ জন হামিদ বাহিনী নামে এ বাহিনী গড়ে উঠে। এ বাহিনীর প্রধান কথিত হামিদ। মাদকের কালো টাকা এবং আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে এ সুবিধা অর্জন করছে। জায়গা জমি, বসতভিটা জবরদখল, চাঁদাবাজী, অপহরণ, ছিনতাই, দমন নিপীড়ন এ বাহিনীর নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। কথিত হামিদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী প্রতিপক্ষের বসতভিটা জমি জবরদখল এবং বাড়ী ভাংচুর ও হামলার অভিযোগে থানায় একাদিক অভিযোগ ও মামলা করেও প্রতিকার পাচ্ছেনা প্রতিবেশী ভূক্তভোগীরা।
এঘটনা যেতে না যেতেই ফের ১৩ জুলাই ভোর সকালে পূর্ব শত্রুতার আক্রোসের জের ধরে প্রতিপক্ষের ছাড়পোকা নামক একটি পিকআপ বাড়ীসহ চালক মোঃ ছাবেরকে ধরে নিয়ে গেছে হামিদ বাহিনীর লোকেরা।
জানা যায়, ম্যাজিক এক্সপ্রেস নামক পিকআপ গাড়ী এবং চালক মোঃ ছাবেরকে নাইট্যং পাড়া ব্রীজের ছড়ায় গাড়ি ধৌত করতে গেলে ওরা ধারালোর অস্ত্রের মূখে কথিত হামিদের বাহিনীর লোকেরা বাড়ীতে নিয়ে যায়। ঘটনা জানার জন্য আব্দুল হকের স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম হামিদের বাড়ীতে গিয়ে জানতে চাইলে সেও তার হাতে আক্রান্ত হয়। পরে আহত ছেনোয়ারা বেগমকে স্থানীয় টেকনাফ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে এর প্রতিকার চেয়ে ছেনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে মৃত হাবিবুর রহমানের পুত্র হামিদ হোসেন ও আব্দুস সালামের পুত্র মোঃ হামিদ এ ২ জনকে আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় একটি অভিযোগ রুজু করে। দায়েরকৃত অভিযোগের নাম্বার এস,ডি,আর ১২০৩।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রঞ্জিত কুমার বড়–য়া অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিতে এস,আই বিভেকান্দকে ন্যাস্ত করেন

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।