টেকনাফে মাদক বিরোধী অভিযানে একজন পুলিশ অফিসারের কৃতিত্ব

5403907639402103_n
নুর হাকিম আনোয়ার []
একজন পুলিশ অফিসারের যে সব গুণাবলী ও দক্ষতা থাকা প্রয়োজন তার মধ্যে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ অফিসার আশিকুর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের দক্ষিনের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ, এখানে মিয়ানমার থেকে মাদক ও সাগরপথে মালয়েশিয়া মানব পাচারের জন্য খ্যাত। এখান থেকে মরণনেশা ইয়াবা (মাদক) সারাদেশে বিস্তার লাভ করেছে। পুলিশ প্রশাসন ইয়াবা ও মানবপাচার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিজিবি -কোস্টগার্ড এর পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন ইয়াবা ও মানব পাচার রোধে সাফল্য লাভ করেছে। টেকনাফ মডেল থানায় যে ক’জন পুলিশ অফিসার কর্মরত রয়েছেন-তার মধ্যে ইয়াবা (মাদক) জব্দ বা আটকের সবার শীর্ষে রয়েছেন। পুলিশ অফিসার আশেকুর রহমান তিনি টেকনাফ মডেল থানায় যোগদান করার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে মাদক আটক করেই যাচ্ছেন। তার এ অভিযানকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। এসআই আশিকুর রহমান কুমিল্লা জেলার অধিবাসী। ব্যক্তি জীবনে সে এক সন্তানের জনক। চলতি বছরে ১০ এপ্রিল টেকনাফ মডেল থানায় যোগদান করার পর তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী এসআই আশিকুর রহমান জেলা পর্যায়ে আগষ্ট মাসে ২৪ হাজার ইয়াবা (মাদক) আটকের সাফল্য লাভ করেছেন। সেপ্টেম্বর অর্ধমাসে ১৮ হাজার ইয়াবা জব্দ করেছে। তার এ প্রশংসনীয় অপরাধ বিরোধী অভিযান পুলিশ প্রশাসন তার প্রতি সন্তুষ্ট বলে জানা যায়। তার মতে পুলিশ হচ্ছে- মানুষের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানকারী এবং এ দায়িত্ব যখন পুলিশের উপর ন্যাস্ত হয় তখন পুলিশ এ দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হয়। এসআই আশেকুর রহমান একজন চৌকুশ অফিসার এবং অপরাধ দমনের বিশেষজ্ঞ। কথা নয় এবং কাজের বিশ্বাসী ও প্রমাণ। ইয়াবা (মাদক) সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- মাদক হচ্ছে সকল অপকর্মের মূল। এটি আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটায়। তাই মাদক নামক অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি জনগনকে এগিয়ে আসতে হবে। না হলে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। একে রুখতে হলে যার যার অবস্থান থেকে এর প্রতি ধিক্কার জানাতে হবে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।