টেকনাফে মাদ্রাসা সুপার হামলার শিকার

টেকনাফের হ্নীলায় সহকারী শিক্ষিকার স্বামী ও ভাড়াটে জামায়াত ক্যাডারের বেধঁড়ক পিটুনিতে এক মহিলা মাদ্রাসা সুপার হামলার শিকার হয়েছেন। পরে থানা পুলিশ এসে হামলার শিকার সুপারকে উদ্ধার করেছে। জানা যায়,৩ আগষ্ঠ (শনিবার) দুপুর ২টারদিকে রঙ্গিখালী খাদিজাতুল কোবরা মহিলা মাদ্রাসার সুপার ফখরুল ইসলাম ফারুকী অফিসকালে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা বিলকিস বেগমের স্বামী নুর মোহাম্মদ, সাব পোস্টমাষ্টার জাফর আলম সাদেক ও স্থানীয় কথিত ভাড়াটে জামাত নেতা কলিমুল্লাহর নেতৃত্বে একটি গ্রæপ অফিসে ঢুকে দরজা-জানালা বন্ধ করে লাঠি দিয়ে বেধঁড়ক পিঠিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয়। এরপর অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রবিউল হাসান পুলিশ পাঠিয়ে মাদ্রাসা সুপারকে উদ্ধার করতে পাঠালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ অবরুদ্ধ মাদ্রাসা সুপারকে হাত ভাঙ্গা অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর পেয়ে হ্নীলা ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ব্যাপারে অভিযুক্তদের মধ্যে নুর মোহাম্মদ মামুৃন বলেন, উক্ত বিষয়ে আমি জড়িত নই তবে জাফর আলম সাদেক ও কলিমুল্লাহ সুপারের উপর হামলা করেছে। এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ বাবুল জানান,ইউএনওর নির্দেশে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত মাদ্রাসা সুপারকে উদ্ধার করে মাদ্রাসায় দূর্বৃত্তদের লাগানো তালা ভেঙ্গে ফেলা হয়। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মীর কাশেম সওদাগর বলেন,এক মাদ্রাসা সুপারের উপর এই ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা কোনমতে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি এই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসান,এই ধরনের ঘৃণিত কর্মকান্ডের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে মাদ্রাসা সুপারকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রকাশ্য দিন-দুপুরে লাঠি-সোটা নিয়ে মহিলা মাদ্রাসায় ঢুকে ছাত্রীদের সামনে বেধঁড়ক মারধরের ঘটনায় জনমনে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।