টেকনাফে সহোদরের সম্পত্তি দখলে নিতে মরিয়া ছোট ভাই

টেকনাফ প্রতিনিধি:
সহোদর বড় ভাইদের সম্পত্তি দখলে নিতে ছোট ভাইয়ের এলাহি কান্ড। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটে  টেকনাফ উপজেলা সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়া গ্রামে। ছোট ভাই কর্তৃক বড় ভাইদের প্রাননাশের হুমকি ও মারধরে রক্তাক্ত করে বাড়ীঘর ভেংঙ্গে তছনছের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল (০৬ নভেম্বর) ঘটনাটি ঘটে। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ও ভুক্তভোগী শামসূল আলম বাদী হয়ে সন্ত্রাসী ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ প্রকাশ মগু মিয়াকে প্রধান আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে সন্ত্রাসী হাবিব উল্লাহ প্রকাশ মগু মিয়া পালিয়ে যায়। ইতি পূর্বেও উক্ত সন্ত্রাসী হাবিব উল্লাহ মগু ২০ অক্টোবর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ও ছোট ছোট মাদরাসা পড়–য়া সন্তানদের ব্যাপক মারধর করে রক্তাক্ত করেছিল। এভাবে সে প্রতিনিয়িত বেপরোয়া হয়ে তার বড় ভাই শামসুল আলম ও শফিকুল আলমের সম্পত্তি ঘরবাড়ী অবৈধ ভাবে জবর দখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে থানায় দেওয়া অভিযোগে জানা যায়। এই অবৈধ কর্মকান্ডে মগু মিয়াকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন সহোদর বোন মাহমুদা ও মুবিনা আকতার।
উল্লেখ্য যে, হাবিব উল্লাহ প্রকাশ মগু মিয়া একজন, মাদককারবার, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী ও নারী নির্যাতন কারী হিসাবে এলাকায় ব্যাপক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তার বিরোদ্ধে বর্তমানে টেকনাফ মডেল থানায় নারী নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বহু মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা আছে বলে সুত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়। তৎমধ্যে টেকনাফ মডেল থানার নারী নির্যাতন আইনে যাহার মামলা নং-৭৭, তারিখ ২১/০৬/২০১৯ ইং এর পলাতক আসামী বলে জানা গেছে। বর্তমানে হাবিবের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘাত, রক্তপাত ও প্রানহানির আশংকা রয়েছে।  স্থানীয়রা আরো জানান, মগু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন জায়গা হতে অপহরণ করে আটকে রেখে গোপনে টাকা আদায় ও দিন দুপুরে প্রাকাশ্য অস্ত্রের মহড়ায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করে আসছে। তার রয়েছে মানুষ জিম্মি বা অপহরণ করে আটকে রাখার গোপন আস্তানা। তাকে আটক করে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মাদক, সন্ত্রাসের বিষয়ে বহু গুরুত্ব পুর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার ঘনিষ্ট এক আত্বীয়। স্থানীয় সচেতন মহল তাকে অবিলম্বে আটক করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন। স্থানীয় মেম্বার হাফেজ মাওঃ ছৈয়দুল ইসলাম জানান, এটি পারিবারিক বিষয়। সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
শামসুল আলমের অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ অফিসার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। অপরাধীকে আটকে পলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। ######
Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ