টেকনাফে ২০ মাদক সেবীর আস্তানা থেকে ও সরঞ্জাম উদ্ধার

teknaf pic

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম::::অবশেষে টেকনাফে মাদকের প্রাদূর্ভাব রোধে কিছু উৎসাহী যুবক অভিযানে নেমেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সচেতন মহল তাদের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। খবর পেয়ে ২০ ডিসেম্বর একদল সংবাদকর্মী সরেজমিন ঘটনাস্থল টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লম্বরী পর্যটন বাজারে গিয়ে দেখেন উৎসাহী যুবকদের সাফল্যের নমুনা। লেঙ্গুর বিল এলাকার প্রভাবশালী মেম্বার মোহাম্মদ আলম, দিদারুল আলম ও মোহাম্মদ শাহজাহান ইয়াবা প্রতিরোধে জন সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের সাথে নিয়ে রাতে অভিযানে নামেন। ইয়াবা মাদক বিক্রি ও সেবনের ৭টি আস্তানায় হানা দিয়ে ২০ জন মাদক সেবী যুবক ও সেবনের সরাঞ্জাম উদ্ধার করেন। আগামীতে আর মাদক বিক্রি করবেনা এবং সেবীরাও আর মাদক সেবন করবেনা মর্মে মুসলেকার মাধ্যমে প্রথম বারেরমত শাস্তি দেন। মাদকের ৭ আস্তানা হচ্ছে-লেঙ্গুর বিল আদর্শ গ্রামের মোহাম্মদ হাসান,মোহাম্মদ আলী, সোনা মিয়া, হাসান উত্তর লম্বরী, ফরিদ আহমদ দক্ষিণ লম্বরী, বোতির বাড়ী, মোজাহার মিয়া উত্তর লম্বরী। ২০ মাদকসেবীদের মধ্যে এলাকার নামী দামী পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরাও রয়েছে। তারা নিয়মিত মাদক ইয়াবা সেবন করে আসছিল বলে জানান অনেকে। শুধু ২০ জন নয় প্রতি রাতে শতাধিক মাদকসেবী সেসব আস্তানায় ভিড় জমায় বলে জানা যায়। টেকনাফ সদর ইউনিয়নে সী- লায়ন নামে একটি সংগঠন ইয়াবার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছে । সভাপতি শাহজাহান বলেন প্রশাসনের সহযোগীতা পেলে ইয়াবার পাইকারী ও খচরা বিক্রি এবং সেবনের আস্তানা তারা বন্ধ করতে সক্ষম হবেন। আগামীতে তারা মাদক সেবনের আস্তানায় আরো অভিযান করবেন বলে জানান। আবার ধরা পড়লে সেবনকারী ও বিক্রেতাকে মুসলেকাসহ পুলিশের হাতে সোপর্দ করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি। তাদের এই উদ্যোগে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জেগেছে। ইয়াবা সম্পৃক্তরা চরম হতাশায় পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল এই উদ্যোগকে অনুকরণীয় ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করে তা অব্যাহত রাখার দাবী জানিয়েছেন।
মোহাম্মদ আলম মেম্বার:০১৮১৮ ৫৪৮ ১৩৭ শাহজাহান : ০১৮১৫ ৩৩৪ ৪০৮ জানান টেকনাফের দূনার্ম ঘুছাতে এ অভিযান অব্যাহত রাখব। আমরা এ ব্যাপারে সর্ব মহলের আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করছি।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।