টেকনাফ পৌর শহরে সড়ক ও জনপথ সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক ()
টেকনাফ পৌর শহরের ভিতর দিয়ে যাওয়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ৩ কিঃ মিটার সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। পৌর এলাকা উত্তর নাইট্যং পাড়া উঠনী নামক টেক থেকে কোলাল পাড়াস্থ শাহপরীরদ্বীপ সংযোগ সড়ক পর্যন্ত কক্সবাজার সড়ক জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রায় ৩ কিঃ মিটার সড়ক চলাচল ও যাতায়াতের সম্পূর্ণরূপে অযোগ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উভয় পাশ্বের সড়ক ভেঙ্গে খাদে পরিনত এবং অবৈধ স্থাপনা নির্মিত হওয়ায় সড়কটি সংকোচিত হয়ে পড়ে। ফলে উভয় মূখী যাত্রী বাহীবাস ও পরিবহণ ট্রাক একটি অন্যটিকে সহজে সাইট দিতে পারেনা। অনেক সময় সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে। এছাড়া ও প্রায় সড়কের মধ্যখানে ছোট বড় গর্তের রূপ নেয়। নাইট্যংপাড়া ষ্টেশান, শাপলাচত্তর ও টেকনাফ ভূমি অফিস সংলগ্ন সড়কের অবস্থা সূচনীয় হওয়ায় পথচারী ও যাতায়াত অতি ঝুঁকিতে পরিনত হয়েছে। টেকনাফ পৌর শহরে প্রধান সড়ক ব্যাতীত বিকল্প কোন সড়ক না থাকায় এখানে বিভিন্নযানবাহন ও পরিবহণ মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। ফলে অনেক সময় জানজাটে রূপ নেয়। পৌর শহরের ভিতর যাওয়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সড়কটি ভগ্নদশার ফলে পুরো পৌর ষ্টেশনটি ধুলোতে পরিনত হয়ে পরিবেশর উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যাত্রীবাহীবাস ও পরিবহন ট্রাক যাতায়াতকালে পুরো ষ্টেশনটি ধুলোতে পরিনত হয়ে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অন্যকে দেখতে পারেনা জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে সড়ক ও জনপথ বিভাগে পৌর ষ্টেশানের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কার কাজ শুরু করেছিল। পরবর্তীতে এর কোন অগ্রগতি নেই। সড়ক ও জনপথ বিভাগের দীর্ঘ প্রায় ৩ কিঃ মিটার সড়কের বেহাল দশার কারণে পৌর কর্তৃপক্ষকে বদনামের ভাগি হতে হচ্ছে বলে পৌর মেয়র অভিযোগ করেন। এ প্রসংগ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন, স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত দীর্ঘ দেড়যোগে পৌর এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি মর্মে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল। যাহা বস্তু নিষ্ট সংবাদ পরিপন্থী এবং অপসাংবাদিকতা পরিচায়ক বলে পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম দাবী করেন। দেশের অন্যতম ব্যস্ততম সীমান্ত বাণিজ্যিক শহর এবং এখানে সিংহভাগ বিভিন্নখাত থেকে রাজস্থ সরকারী কোষাগারে জমা হলেও কক্সবাজার টেকনাফ সড়কে দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটেনী। প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তের ৩০ ক্যাম্পে অবস্থান করছে। এদের পদভারে ও পরিবহনভারে সড়কটি জর্জরিত ও সংকোচিত হয়ে পড়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা নিদারুন ঝুকিতে পরিনত হয়। এমতাবস্থায় উখিয়া-টেকনাফের ৫ লাখ জনগণ ও দেশী-বিদেশী পর্যটকেরা যাতায়াতে অস্থানীয় ভোগান্তিতে পড়েছে। অনতিবিলম্বে প্রধান আঞ্চলিক সীমান্ত সড়কটি উন্নয়নের আওতায় আনার দাবী উঠেছে সীমান্তবাসীর । এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টুৃ চাকমা বলেন, টেকনাফ পৌর শহরের ভিতর যাওয়া সড়ক ও জনপথের ভগ্নদশা সড়কের উন্নয়ন কাজ অতিশ্রিগী শুরু হবে। উল্লেখ্য কক্সবাজার লিংকরোড হতে হোয়াইক্যং উনচিপ্রাং পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিঃ মিঃ সড়কের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এটি শেষ হলে বাকি ৩০ কিলোমিটার সড়ক টেকনাফ পৌর শহর শাহপরীরদ্বীপ সড়ক পর্যন্ত শুরু হবে। টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম বলেন, টেকনাফ পৌর সভার ভিতর ভগ্নদশা সড়কটি পৌরসভার নয়। এটি শুধু কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের। এর উন্নয়নের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ সড়ক ও জনপদ বিভাগের ইতিপূর্বে চিঠি দিয়ে অবগত করা হয়েছে। কাজেই এর জন্য পৌরসভা দায়ী নয়।

 

Print Friendly, PDF & Email
শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।