টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে ভ্রাম্যমান আদালতকেও তোয়াক্কা করছে না “কুতুবদিয়া জাহাজ”

মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী : অর্থের প্রতি বিভোর এবং বারংবার ভ্রাম্যমান আদালত অর্থ দন্ড করার পরও এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজ অতিরিক্তযাত্রী ঝুঁকি মাথায় নিয়ে যাতায়াত অব্যাহত রেখেছে। টেকনাফ সেন্টমার্টিনদ্বীপ নৌ-পথে ৭টি জাহাজের মধ্যে এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ উঠেছে, নৌ-পরিবহণ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন যাত্রীদের উপর গলাকাটা বাণিজ্য, নড়াডে জেটি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি বৃর্দ্ধঙ্গুলি প্রদর্শন এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বিস্তার করে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করেই যাচ্ছে। এখন পর্যটনের ভরা মৌসূম এবং এ সুযোগে স্থানীয় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি এবং শাসকদলের শীর্ষ নেতার নাম ভাংগিয়ে বীরদর্পে কুতুবদিয়া জাহাজ অর্থের প্রতি মোহাছন্ন হয়ে অতিরিক্ত যাত্রীবহন করেই যাচ্ছে। প্রশাসন একের পর এক ভ্রাম্যমান আদলত পরিচালনা করে আর্থিক জরিমানা করেও এ বদ অভ্যাস দুর করতে পারেনী এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজকে। অনুসন্ধানে তথ্যের ভিক্তিতে জানা যায়, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে স্থানীয় প্রশাসন ১ লাখ টাকা করে ২ লাখ টাকা দুইবার ভ্রাম্যমান আদালত আর্থিক জরিমানা করে থাকে। এর পর এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। ৩শত জন যাত্রী নেয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক সময় তিনগুন অতিরিক্ত যাত্রী বহন করেই আসছে। যাহা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশী। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সীট বুকিং করেও জাহাজে উঠার পর সীট না পেয়ে দাড়িয়ে যাত্রায়াত করতে হয়। অতিরিক্ত যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট বুকিং কর্তৃপক্ষ জাহাজে সীট বুকিং দেয়ার পর জাহাজ ঘাটে এ ভয়াবহ দৃশ্য দেখার পর সচেতন যাত্রীরা ফিরে আসতে দেখা যায়। এভাবে যাত্রীরা জাহাজ কর্তৃপক্ষের প্রতারনার শিকার হচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলেছে। ফলে প্রশাসন বাধ্য হয়ে ভ্রাম্যমান আদালত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। নাফ নদী ও সাগরের নাব্যতা হারানোর প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত যাত্রীর ভারে জাহাজ ডুবোচরে আটকা পড়ার আশংখা করছেন অনেকেই। এ ভয়ে যাত্রীরা আতংকের মধ্যে থাকে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।