টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৩৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী

ডেস্ক নিউজ []index
টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ২য় দফায় ৩৫ টন পেঁয়াজ আমদানী হয়েছে। টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান চৌধুরী ট্রেডার্স ও গ্লোবাল লজিস্টিক মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ গুলো আমদানী করে। আমদানীকৃত পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিতে ট্রাক বোঝাই করে বিকালেই স্থল বন্দর ত্যাগ করেছে।
চৌধুরী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শওকত আলী চৌধুরী জানান, তিনি ১৯ মে: টন ও গ্লোবাল লজিস্টিক ১৬ মে: টন পেঁয়াজ আমদানী করে। তিনি আরো জানান, আরও পেঁয়াজ পাইপ লাইনে রয়েছে। গত ১৪ আগষ্ট প্রথম ধাপে ১২৫ মেট্টিক টন পেঁয়াজের চালান আমদানী করেছিল ব্যবসায়ীরা।
এদিকে দেশের বাজারে পেঁয়াজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে টেকনাফের খোলা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের মূল্য ৭০ থেকে ৭৫ টাকা হারে বেচা-কেনা হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানী করার ফলে টেকনাফসহ বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম হ্রাস পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আমদানীকারকগণ।
অপরদিকে সামনে কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানী শুরু করায় দেশের বাজার অনেকটা প্রভাব মূক্ত থাকবে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা।
টেকনাফ বন্দরের উপব্যবস্থাপক সায়েদ মো. আনোয়ার হোসাইন জানান, ইতিমধ্যে ১৬’শ মেট্রিক টন পিয়াজ ব্যবসায়ীরা কিনেছেন বলে কিনেছেন। যা মিয়ানমার হতে আসন্ন ঈদ উল আজহার আগে টেকনাফ বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আনা হবে।
উল্লেখ্য, মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে চলতি বছরের মে মাসে ৩২.৫২০, আগষ্ট মাসে ১২৫ মেট্রিক টনের সর্বশেষ পিয়াজের চালান আমদানি করেছিলেন ব্যবসায়ীরা।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।